১:৩৫ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০১৭, শনিবার | | ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

‘রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের’ অস্ত্রবিরতি

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০১:০৭ পিএম | রাহুল


এসএনএন২৪.কমঃ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে একসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুই ডজনেরও বেশি ক্যাম্পে হামলার পর আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) নামে যে ‘বিদ্রোহী’ সংগঠনটি দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছিল, এবার তাঁরা একতরফাভাবেই অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। 

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তারা রাখাইনে মানবিক সংকট বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা আশা করছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীও সেখানে অস্ত্রবিরতি করবে। ’ তবে এ বিষয়ে এখনও মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। 

আরসা গতকাল শনিবার এই বিবৃতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি।  

মিয়ানমার সরকারের দাবি, গত ২৪ আগস্ট রাতে রাখাইন রাজ্যে একসঙ্গে ২৪টি পুলিশ ক্যাম্প ও একটি সেনা আবাসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে।  পরে ‘বিদ্রোহী রোহিঙ্গাদের’ সংগঠন আরসা এই হামলার দায় স্বীকার করে। 

এ ঘটনার পর পরই মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে।  যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় তিন লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।  সীমান্তে এখনো শরণার্থীদের ঢল রয়েছে।  এর মধ্যেই আরসার পক্ষ থেকে এই বিবৃতি এল। 

গত ২৫ আগস্ট পুলিশের উপর এই রোহিঙ্গাদের চালানো হামলার প্রতিক্রিয়ায় রাখাইনে সেনা অভিযান শুরু হয়, যার কারণে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে।  বাংলাদেশে শরণার্থীর স্রোত এখনো অব্যাহত।  বহু রোহিঙ্গা নিহত হচ্ছেন এবং সীমান্তের দুপাশেই তৈরি হয়েছে এক মানবিক পরিস্থিতি। 

এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের তরফ থেকে এ একতরফা অস্ত্রবিরতির ঘোষণা এলো।  একই সঙ্গে তারা সাহায্যকারী সংস্থাগুলোতে রাখাইন এলাকায় তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করাও আহ্বান জানিয়েছেন।