১২:৫৩ পিএম, ১৮ জুলাই ২০১৮, বুধবার | | ৫ জ্বিলকদ ১৪৩৯


লক্ষীপুজায় বড় ভাইয়ের মঙ্গল কামনায় ছোট্ট বোনের আরাধনা

০৩ অক্টোবর ২০১৭, ০৮:৫৫ পিএম | নকিব


এসএনএন২৪.কমঃ ছোট্ট থেকেই দেখেছি মা বাড়িতে লক্ষ্মীপুজো করে।  এখনও বাড়িতে সেই ট্র্যাডিশন চলছে।  মায়ের একটা রূপোর লক্ষ্মী ঠাকুর রয়েছে।  তবুও আমরা মূর্তি কিনে আনি।  তার ওপর আমি একটু কারুকাজ করি।  সাজাই ঠাকুরকে। 

পুজোর দিন নারিকেলের নাড়ু, খিচুড়ি, তরকারি, পাঁচ রকম ভাজা, পায়েস তো হবেই।  মা এ সময় বাড়িতে কিছু মিষ্টি তৈরি করেন।  এখন তো এ সবের চল নেই আর।  তবুও আমার মা এখনও কিছু না কিছু তৈরি করবেনই।  আল্পনাও দেওয়া হয় বাড়িতে।  আমাদের সব কাজ ভাগ করা থাকে।  আমি তো মাকে পুজোর কাজে সাহায্য করি।  গুছিয়ে দিই।  আর পুজো শেষে ভোগ বিতরণ করাটাও আমার দায়িত্ব। 

প্রতি বছরই লক্ষ্মী পুজোর জন্য নতুন একটা শাড়ি তুলে রাখি।  এ বার একটা হলুদ টাঙ্গাইল রেখেছি।  এই শাড়িটা আমার কাছে খুব স্পেশ্যাল।  আসলে কিছুদিন আগে আমার বিয়ে হয়েছে।  বিয়ের দিন আমার বড় ভাই এই হলুদ টাঙ্গাইল শাড়িখানা দিয়েছে।  তাই এই শাড়িখানা আমার কাছে স্পেশ্যাল হয়ে আছে।  আমার বড় ভাই চাকুরি করে। তাই হয়তো এবার পুজায় আসতে পারবে না।  কিন্তু আশার চেষ্টাতো করেই চলছে।  আমি আমার বড় ভাইয়ের দেওয়া শাড়ি পরে পুজায় বসবো।  কেননা তার মঙ্গলের জন্য মা লক্ষীর কাছে আরাধনা করতে হবে।  আমার ভাই সুখে থাকা মানে আমার পুরো পরিবার সুখে থাকা। 

লেখক : রাত্রি দাস, অনার্স ২য় বর্ষ, হাতিয়া, নোয়াখালী।