২:১৬ পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | | ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

শীতে শিশুর চাই বাড়তি যত্নআত্তি

১৬ নভেম্বর ২০১৭, ১২:৫৩ পিএম | রাহুল


এসএনএন২৪.কম : শীতে বড়দের থেকে শিশুরা বেশি কষ্ট পেয়ে থাকে।  কারণ বড়রা সমস্যা হলেই সবাই কে বলতে পারে। 

কিন্তু শিশুরা সেটা পারে না।  তবে মায়েরা সব সময়ই নবজাতককে খুব যত্নে রাখতে চেষ্টা করেন।  শীতকালে নবজাতকের যত্ন নিয়ে একটু বেশি চিন্তিত থাকেন তারা।  কারণ শীতে সঠিক যত্ন না পেলে শিশুরা শ্বাসকষ্ট থেকে শুরু করে নিউমোনিয়ায় ভুগতে পারে।  তাই শীতে নবজাতকের প্রতি একটু বেশি সতর্ক থাকতে হয়। 

এই সময়টাতে হালকা ঢিলেঢালা সুতি কাপড় পরান।  বেশি শীতে গরম কাপড় যেমন উলের তৈরি কিছু পরালে তার নিচে পাতলা সুতি কাপড় পরিয়ে নিতে হবে।  এতে তার শরীরে চুলকানি হওয়া ঠেকাবে।  খুব ঠাণ্ডায় বাচ্চাদের হাত বা পায়ের পাতা নীলাভ দেখায়।  শরীরের অনাবৃত জায়গাগুলো ঢেকে দিন তাহলেই দেখবেন নীলাভ ভাব চলে যাবে। 

গোসল করানোর পর বাচ্চার শরীর ভালো করে মুছে ফেলতে হবে।  তারপর একটা ভালো মানের মশ্চারাইজার সারা গায়ে আলতো করে লাগিয়ে দিন।  অল্প পরিমান ওয়েলি ক্রিম ন্যাপি এলাকায় দিন।  শিশুর ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখবে, চর্মরোগ থেকেও মুক্তি দেবে। 

প্রতিদিন হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করাতে হবে শিশুকে।  সাবানে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় তাই গন্ধহীন কোনো বাথ ওয়েল পানিতে মিশিয়ে বাচ্চাকে গোসল করালে ত্বক নরম থাকবে শিশুর। 

যেসব সাবানে প্রচুর ফেনা সৃষ্টি হয় সেই সব সাবান ব্যবহার না করাই ভালো।  কারণ, এসব সাবন বাচ্চার ত্বক থেকে ন্যাচারাল ওয়েল শুষে নেয়।  তাছাড়া বাচ্চাদের ক্ষেত্রে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল অথবা সুগন্ধীযুক্ত সাবান ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। 

ঠাণ্ডা লেগে শিশুর নাক বন্ধ হয়ে গেলে ‘নরসল নসল ড্রপ’ দিনে দুইবার দেওয়া যেতে পারে, এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।  আপনার নবজাতকটি যাতে এই শীতেও নিরাপদে থাকে তাই সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করে চলুন। 

শিশুদের ন্যাপকিন বার বার পরিবর্তন করে দিতে হবে।  বেশিক্ষণ ভেজা থাকলে ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। 

ছোট্ট সোনামনির চুলের যত্নে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। 

ছোটো বাচ্চার নখ খুবই পাতলা এবং দ্রুত বৃদ্ধি পায়।  ময়লা ভর্তি নখ মুখে দিলে পেটে জীবানু ঢুকে যায় সহজে।  তাছাড়া নিজের নখেই শরীরের বিভিন্ন জায়গা কেটে যেতে পারে।  তাই নিয়মিত নখ কাটতে হবে। 

বাচ্চার সুস্থতায় সব সময়ই তাজা খাবার খাওয়াতে হবে।  মৌসুমি ফলও খাওয়াতে পারেন।  মৌসুমী ফল ও সবজি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 

শিশুর রুমে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন।  বাজারে বেশ কিছু ব্র্যান্ডের হিউমিডিফায়ার পাওয়া যায়।  এগুলোর কাজ হলো বাতাসের আর্দ্রতা ধরে রাখা।  রুমে হিউমিডিফায়ার রাখলে বাতাসের আর্দ্রতা ঠিক থাকে।  ফলে শিশুর ত্বকে শীতের শুষ্কতার প্রভাব পড়ে না। 

Abu-Dhabi


21-February

keya