২:৫৬ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার | | ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




শহীদ মিনারে সুবীর নন্দীর মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা

০৮ মে ২০১৯, ০১:৪০ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : কণ্ঠের জাদুকর সুবীর নন্দীর মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তার ভক্তরা।  আজ বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মহদেহ আনা হলে তাতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভক্ত ও শুভাকাঙ্খীরা।  বেলা ১১টার দিকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয় তার মরদেহ। 

এর আগে সকালে সিঙ্গাপুর থেকে তার মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানন্দরে এসে পৌঁছায়।  সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টায় মারা যান এ গুণী শিল্পী। 

শহীদ মিনারে তার মরদেহ পৌঁছার আগে সকাল থেকেই শেষবার দেখার জন্য অসংখ্য শ্রোতা-ভক্ত আসতে থাকেন।  এর পর মরদেহ এসে পৌঁছলে শুরু হয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন।  প্রিয় এই শিল্পীকে একনজর দেখতে ক্রমেই ভিড় বাড়তে থাকে।  সাধারণ মানুষ একনজর দেখতে এবং শ্রদ্ধা জানাতে রোদ-গরম উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসেন। 

সুবীর নন্দীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে মো. হানিফ, জাতীয়তাবাদী দল, জাসাস, উদীচী শিল্পগোষ্ঠী, ছায়ানট, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। 

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে গাজী মাজহারুল ইসলাম, খুরশীদ আলম, খায়রুল আলম সবুজ, মনোজ সেন গুপ্ত, ফকির আলমগীর, কল্যাণী ঘোষ, রফিকুল ইসলামসহ আরো অনেক সতীর্থ।   এ ছাড়া সার্বক্ষণিক তার পাশে ছিলেন শুভ্র দেব, কুমার বিশ্বজিৎসহ অনেকে। 

এর পর আগে সকালে সুবীর নন্দীর মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় তার গ্রিন রোডের বাসায়।  সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। 

এর পর শিল্পীর মরদেহ নেয়া হবে এফডিসিতে।  তার পর রামকৃষ্ণ মিশন এবং সর্বশেষ বরদ্দেশ্বরী কালীমাতা মন্দিরে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। 

৪০ বছরের দীর্ঘ সংগীত জীবনে আড়াই হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন সুবীর নন্দী।  তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন পাঁচবার।  সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক পান তিনি।