২:৪৫ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার | | ১৮ সফর ১৪৪১




সেন্টমার্টিন যেতে আগে থেকেই নিবন্ধন করতে হবে

১৯ এপ্রিল ২০১৯, ০৫:৩৩ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : পরিবেশ অধিদফরের মহাপরিচালক ড. সুলতান আহমদ বলেছেন, এখন থেকে ইচ্ছা করলে যখন তখন সেন্টমার্টিন যাওয়া যাবে না।  সেন্টমার্টিন ভ্রমণে ইচ্ছুকদের আগে থেকে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে।  দৈনিক এক হাজার ২৫০ জন পর্যটক ভ্রমণে যেতে পারবেন।  সেন্টমার্টিন সুরক্ষায় অ্যাকশন প্ল্যান নেয়া হচ্ছে।  এই প্ল্যানে সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপনের ওপর বিধি-নিষেধের সিদ্ধান্ত হতে পারে। 

মঙ্গলবার পরিবেশ অধিদফতরের উদ্যোগে কক্সবাজারের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘কক্সবাজারের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

সুলতান আহমদ বলেন, সেন্টমার্টিন দেশের বড় সম্পদ।  প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা করা সম্ভব না হলে অচিরেই সেন্টমার্টিনের পরিবেশ হবে ভয়াবহ। 

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানব সম্পদ উন্নয়ন) এসএম সরওয়ার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি লে. কর্নেল আনোয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবেদিল ইসলাম, পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক ও রিও প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ জিয়াউল হক, যুগ্ম পরিচালক মো. ফেরদৌস হোসেন খান, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ও কক্সবাজার বন পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক দীপক শর্মা দীপু। 

সেমিনারে বলা হয়, ইসিএ এলাকা হিসেবে বর্তমানে সেন্টমার্টিন, সোনাদিয়া ও সমুদ্র সৈকত এখন পরিবেশগত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।  এ জন্য মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ করতে হবে।  ফিরিয়ে আনতে হবে আগের পরিবেশ।  পরিকল্পনা ছাড়া স্থাপনা গড়ে ওঠায় দূষণের কবলে পড়েছে হোটেল মোটেল জোন। 

৩২৫টি হোটেলের মধ্যে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র নিয়েছে মাত্র ৪৮টি।  স্যুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান (এসটিপি) বাস্তবায়ন করেছে মাত্র ছয়টি হোটেল।  কক্সবাজারে প্রতিদিন কঠিন ও তরল বর্জ্য সৃষ্টি হয় ৫০ থেকে ৭০ টন।  ১২ টন বর্জ্য শোধানাগারের ব্যবস্থা রয়েছে।  কিন্তু শোধানাগারে বর্জ্য আসে মাত্র দুই টন।  এই তথ্য থেকে বুঝা যায়, কক্সবাজার পর্যটন শহরের পরিবেশ দূষণের ভয়াবহ অবস্থা।