১:২৭ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০১৭, শনিবার | | ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

জাদুকাঁটার তীর কেঁটে

সুনামগঞ্জে বালি লুটের মামলায় মুল হোতাদের আসামী করা হয়নি!

০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১০:৫৮ পিএম | সাদি


নিজস্ব প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সীমান্তনদী জাদুকাঁটার সংরক্ষিত তীর কেঁটে বালি লুটের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং বন ও পরিবেশ আইনের সংশিষ্ট ধারায় ১৭ বালি লুটকারীর নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২৫ থেকে ৩০ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ’ উপজেলার বাদাঘাট বাজার থেকে সোমবার থানা পুলিশ ওই মামলায় মাসুক মিয়া নামের এক বালি-পাথর ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।   সে উপজেলার বাদাঘাট উওর ইউনিয়নের পুর্বধইল গড়কাঁটি গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে। ’

মামলার সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাদাঘাট উওর ইউনিয়নের ঘাগটিয়া আদর্শ গ্রাম সংলগ্ন সীমান্তনদী জাদুকাঁটার সংরক্ষিত তীর কেঁটে অবৈধভাবে বালি লুটের ঘটনায় ইউনিয়ন ভুমি সহকারি কর্মকর্তা আশীষ কুমার চক্রবর্তী বাদী হয়ে গত ২৫ আগষ্ট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি মামলা করেন। ’ 

মামলায় অভিযুক্ত আসামীরা হলেন, উপজেলার বাদাঘাট উওর ইউনিয়নের ঘাগটিয়া গ্রামের মৃত  আবদুল গফুরের ছেলে মজিবুর ওরফে বাইট্যা মজিবুর, ঘাগটিয়া আদর্শ গ্রামের এখলাছ মিয়ার ছেলে রানু ওরফে মোশাহিদ, ঘাগড়া গ্রামের হাজি রঞ্জু মিয়ার ছেলে কামাল, ইউপি সদস্য রেনু মিয়ার ছেলে হাকিকুল,ঘাগটিয়া আর্দশ গ্রামের হাজি মনা মিয়ার ছেলে খাইরুল ইসলাম, ঘাগটিয়া টেকেরগাঁওর ওরু মিয়া ওরফে ছোট মিয়ার ছেলে আমিরুল ইসলাম,ঘাগটিয়া নোয়াপাড়ার মৃত নুর জালালের ছেলে হাবিবুর রহমান, ঘাগটিয়া আর্দশ গ্রামের কুদ্দুছ মিয়ার ছেলে তোয়াজ উদ্দিন, ঘাগটিয়া আদর্শ গ্রামের নবীকুলের ছেলে গোলাম কাদির,

ঘাগটিয়া নোয়াপাড়ার আবদুল আউয়ালের ছেলে মোসায়েম মিয়া, ঘাগটিয়া গ্রামের সেরুজ্জামান তালুকদারের ছেলে মাছুম তালুকদার ওরফে ডা. মহিউল বারী মাছুম, ঘাগটিয়া নোয়াপাড়ার (বর্তমানে সাহিদাবাদ) মৃত হাজি ছৈয়দ উল্লাহর ছেলে ফয়েজ উদ্দিন, ঘাগটিয়া নোয়াপাড়ার মৃত আবদুল মতলিবের ছেলে তাজুল ইসলাম মড়ল,,ঘাগড়া গ্রামের বাহাদুর, গড়কাঁটি গ্রামের সাহেল ও উপজেলার বড়দল উওর ইউনিয়নের কাঁশতাল গ্রামের দায়ের করলে মৃত সুরুজ মেম্বারের ছেলে মাসুক সর্দার। ’

এদিকে মামলা দায়েরের বিষয়টি মঙ্গলবার জানাজানি হওয়ার পর জাদুকঁটার বড়টেক, আদর্শগ্রাম, পুকুরপাড়, বরইতলা ও মাহারাম নদীর উৎসমুখ এলাকার নদীর তীর কেঁটে বালি –পাথর লুটের কারনে শতশত ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজন অভিযোগ করে বললেন, মামলায় রাঘব বোয়াল আর নদীর তীরে সেইভ ড্রেজার ও বোমা মেশিন লাগিয়ে যারা বিগত এক যুগেরও বেশী সময় ধরে বালি পাথর লুটের মুখে বাড়ি-ঘর, সড়ক বিভিন্ন স্থাপনা সহ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করেছে প্রশাসনের অন্ধর মহলে তাদের সখ্যতা ও গোপন লেনদেনের কারনেই ওইসব মুল হোতা ও দানবদের মামলায় আসামী করা হয়নি। ’

মূল হোতরা আসামী না হওয়ায় উদ্ভেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ ও মানবাধিকার উন্নয়ন সোসাইটর তাহিরপুর শাখার সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহেল।   

তাহিরপুর থানার ওসি শ্রী নন্দন কান্তি ধর জানান পুলিশ ওই মামলায় মাসুককে সোমবার গ্রেফতার করেছে এছাড়াও অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। ’