৯:১৪ এএম, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার | | ৪ রজব ১৪৪১




সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ

২২ জানুয়ারী ২০২০, ০৩:৩৩ পিএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : ফারমার্স ব্যাংক থেকে চার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহাসহ ১১ জনকে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

বুধবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন।  এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।  পলাতক ১১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল।  তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল হওয়ায় আইনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য এ নির্দেশ দেন আদালত। 

এর আগে ৫ জানুয়ারি সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।  দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেয়া চার্জশিট আমলে নিয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। 

এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ।  গত ৪ ডিসেম্বর কমিশনের সভায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুমোদন দেয়া হয়। 

এসকে সিনহা ছাড়া মামলার বাকি আসামিরা হলেন- ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, রনজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়। 

এ মামলা থেকে মৃত হিসেবে প্রমাণ মেলায় চার্জশিট থেকে এক আসামির নাম বাদ দেয়া হয়েছে।  নতুন করে একজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

গত বছরের ১০ জুলাই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকায় মামলাটি করা হয়।  দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন এ মামলার বাদী।  ফারমার্স ব্যাংকের দুটি হিসাব থেকে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির ‘প্রমাণ’ পাওয়ার তথ্য গত বছরের অক্টোবরে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। 

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৮ সালের অক্টোবরে দুদকের অনুসন্ধানে ফারমার্স ব্যাংকের দু’টি অ্যাকাউন্ট থেকে চার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির প্রমাণ মেলে।  মামলার আসামি শাহজাহান ও নিরঞ্জন ওই ঋণ নিয়েছিলেন।  ঋণের সেই টাকা পরে বিচারপতি সিনহার ব্যাংক হিসাবে যায়।  এ টাকা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনারও অভিযোগ রয়েছে সাবেক এ প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে।