৮:৫৪ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার | | ৮ রবিউস সানি ১৪৪০




পত্রিকায় নাম না আসায়

সাংবাদিকদের চোখ তুলে নেয়ার হুমকি দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০১:৪২ পিএম | জাহিদ


হাবিব সরোয়ার আজাদ, সুনামগঞ্জ (সিলেট) : পত্রিকায় নিজের নাম আসায় এবার সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার মধ্যনগর থানা ছাত্রলীগের জাহাঙ্গীর আলম খান নামের সাবেক সভাপতি সাঙ্গ-পাঙ্গদের সাথে নিয়ে স্থানীয় চার সাংবাদিকদের চোখ তুলে নেয়ার হুমকি দিলে প্রকাশ্যে। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনায় দ্রুত আইনি ব্যবস্থা ও সাংবাদিকদের নিরাপক্তার দাবিতে মধ্যনগর থানা সদরে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক প্রতিবাদ সভা করেন সাংবাদিকগণ। ’

বুধবার রাতে নিজেদের নিরাপক্তা চেয়ে মধ্যনগর থানায় জিডির আবেদন করেন হুমকিপ্রাপ্ত সাংবাদিকরা।  জাহাঙ্গীর আলম খাঁন ধর্মপাশা উপজেলার বেকইজুড়া গ্রামের মৃত সজল খাঁনের ছেলে ও মধ্যনগর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। ’

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে মধ্যনগর থানা সদর বাজারে প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ নেতা তার সাঙ্গ পাঙ্গদের সাথে নিয়েই মধ্যনগরে প্রেসক্লাব সভাপতি এমএ মন্নান, সাধারণ সম্পাদক অমৃত জ্যোতি, দপ্তর সম্পাদক আল আমিন আহম্মদ সালমান ও সদস্য এটি সুরঞ্জন সহ চার প্রতিনিধিকে চোখ তুলে নেয়ার পাশাপাশী প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করেন। 

হুমকুিকর পাশাপাশী প্রেসক্লাব সভাপতির চশমা খুলে ফেলা অন্যান্য সাংবাদিকদের উপর  উপর হামলার চেষ্টাও চালায়  ছাত্রলীগ নেতা ও তার সহযোগীরা।  ছাত্রলীগ নেতার সাথে তার সহযোগী হিসাবে ঘটনার সময় মধ্যনগরের জমশেদপুরের মণি বিশ্বাস,মধ্যনগর বাজারের আল মামুন, কান্দাপাড়ার অপু সরকার দুগনই গ্রামের পরান মিয়া সহ আরো ৭ থেকে ৮ সহযোগীতা উপস্থিত ছিলেন। 

মধ্যনগর থানা প্রেক্লাবের সভাপতি এমএ মান্নান বলেন, যুবলীগের একটি অনুষ্ঠানের সংবাদ বুধবার কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হলে পত্রিকাগুলোতে জাহাঙ্গীরের নাম না আসায় সে এবং তার অপর সহযোগীরা আমাদের চার সাংবাদিকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে চশমা খুলে নেয়া, হামলার চেষ্টা, গালিগালাজ, চোখ তুলে নেয়ার হুমকি ও প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করেছে। ’ 

মধ্যনগর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য জানতে বৃহস্পতিবার তার ব্যাক্তিগত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কল রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

মধ্যনগর থানার ওসি সেলিম নেওয়াজ অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ’