৬:০৮ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার | | ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের তিনদিনের পরীক্ষা পেছালো

১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৯:৩৯ এএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : বিশ্ব ইজতেমার কারণে সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের তিনদিনের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে।  ১৬, ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষাগুলো  ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। 

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, ১৬ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষা ২৬ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার), ১৭ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষা ২৭ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষা ২ মার্চ (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে। 

বিশ্ব ইজতেমায় যাতে শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রে যাতায়াতে সমস্যা না হয় সে বিষয়টি মাথায় রেখে পরীক্ষাগুলো পেছানো হয়েছে বলে জানান এক কর্মকর্তা।  

প্রতিবার জানুয়ারিতে দু’দফায় তিনদিন করে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হলেও এবছর তাবলীগের দুইপক্ষের বিবাদের পর কালক্ষেপণ নিয়ে একসঙ্গে ১৫-১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই জমায়েত অনুষ্ঠিত করতে যাচ্ছে সরকার।  

গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লিখিত বা তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিলো।  তত্ত্বীয় পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে।  

আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার আটটি সাধারণ বোর্ডে সকালে রসায়ন, পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং ব্যবসায় উদ্যোগ বিষয়ের পরীক্ষা ছিলো।  এদিন মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে সকালে বাংলা প্রথম পত্র।  

(১৭ ফেব্রুয়ারি) রোববার সকালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, কৃষি শিক্ষা ও সংগীত এবং বিকেলে আরবি, সংস্কৃত, পালি, কর্মমুখী শিক্ষা, কম্পিউটার শিক্ষা, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া, বেসিক ট্রেড এবং চারু ও কারুকলা বিষয়ের পরীক্ষার শিডিউল ছিলো।  এদিন মাদরাসা বোর্ডে বাংলা দ্বিতীয় পত্র। 

আর ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে জীব বিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিষয়ের পরীক্ষা নির্ধারিত ছিলো।  আর মাদরাসা বোর্ডে পৌরনীতি ও নাগরিকতা, কৃষিশিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, মানবিক, উর্দু, ফার্সি বিষয়ে পরীক্ষা ছিলো।  এছাড়াও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এইদিন কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা ছিলো। 

শেষদিন বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।  আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে সারাদেশ থেকে মুসল্লিদের পাশাপাশি বিদেশি অতিথিরাও অংশ নেন।  ফলে রাস্তায় কোনো কোনোস্থানে হাঁটার জায়গাও থাকে না।  এ নিয়ে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল।