১২:৪১ পিএম, ২১ জুলাই ২০১৯, রোববার | | ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪০




সড়ক মেরামতের সুপারিশ কোরবানির ঈদের আগে

০৮ জুলাই ২০১৯, ০৯:৫৯ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ, বিশেষ করে পদ্মা সেতু ও উড়াল সেতুর কাজ যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হয়, সে বিষয়ের ওপর জোর দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। 

একইসঙ্গে আগামী ঈদুল আজহার আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নের কাজ দ্রুত ও টেকসইভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে।  

এরআগে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটিকে জানানো হয়, পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল অবকাঠামোর কাজ ৮১ ভাগ শেষ হলেও নদী শাসনের কাজ সে তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।  এ কাজে অগ্রগতি হয়েছে ৫৯ শতাংশ।  

সংসদ ভবনে আজ অনুষ্ঠিত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।  এছাড়া বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।  

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. একাব্বর হোসেন।  সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, এনামুল হক, মো. হাসিবুর রহমান স্বপন, আবু জাহির, রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক, ছলিম উদ্দীন তরফদার, শেখ সালাহউদ্দিন, সৈয়দ আবু হোসেন ও রাবেয়া আলীম বৈঠকে অংশ নেন। 

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, বৈঠকে সংসদ অধিবেশন শেষে কমিটির সদস্যদের সরেজমিনে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত হয়।  এরআগে কমিটি বিআরটিসির ডিপো ম্যানেজারদের দায়িত্ব পালনে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে।  

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের জুন পর্যন্ত পদ্মাসেতুর ২৬২টি পাইলের মধ্যে ২৫৬টি এবং ৪২টি পিয়ার কলামের মধ্যে ২৯টির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।  গত ৩০ জুন ১৪তম স্প্যান বসানোর মধ্যদিয়ে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার সেতু দৃশ্যমান হয়েছে।  পদ্মা সেতুর চতুর্দশ স্প্যান বসানো হয় গত ৩০ জুন পদ্মা সেতুর চতুর্দশ স্প্যান বসানো হয় গত ৩০ জুন।  

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এ বছরের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের জাজিরা ও মাওয়ার সংযোগ সড়ক এবং সার্ভিস এরিয়া-২ এর নির্মাণ কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে।  প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি দেখানো হয়েছে ৭১ ভাগ।  

আরও বলা হয়েছে, সেতুর উভয় পাড়ে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৭টি গাছ লাগানো হয়েছে।  একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকায় একটি জাদুঘর স্থাপনের কাজ চলমান।  এই জাদুঘরে রাখার জন্য ২ হাজার ২৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।  এছাড়া পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের মাঝে গত জুন পর্যন্ত ৬৪১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত সহায়তা বাবদ বিতরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।  একই সঙ্গে পুনর্বাসন এলাকায় নির্মিত ২ হাজার ৬৯০টি প্লট ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।  এদের মধ্যে ৬৯৭টি ভূমিহীন পরিবারকে বিনামূল্যে প্লট দেওয়া হয়েছে। 

মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত নির্মাণাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেওয়ের কাজ ২০২২ সালের মার্চ নাগাদ শেষ হবে। 


keya