২:৩৮ এএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৯ মুহররম ১৪৪০


হবিগঞ্জের ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কটি যেন মরণ ফাঁদ, দূর্ভোগে লাখো মানুষ

০৬ জুলাই ২০১৮, ০৮:২৩ এএম | জাহিদ


 আখলাছ আহমেদ প্রিয়, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের ধুলিয়াখাল-মিরপুর ও ধুলিয়াখাল-কটিয়াদি আঞ্চলিক সড়কটি যেন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে।  সড়কে সৃষ্টি হওয়া ছোট ছোট খানাখন্দ গুলো এখন বড় বড় গর্তে পরিণত হচ্চে। 

এতে করে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে।  সড়কটি দিন দিন বেহাল দশায় পরিণত হচ্ছে।  সড়কটি এখন এমন শোচনীয় অবস্থায় পরিণত হয়েছে যেন দেখার কেউ নেই।  যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।  এতে করে চরম দূর্ভোগ পড়েছেন প্রায় ২০ গ্রামের ২ লাখ মানুষ। 

এছাড়াও স্কুল-কলেজগামী সাধারণ শিক্ষার্থীসহ দৈননিন্দ কাজ করা মানুষের মধ্যে নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ।  সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে অনেকেই পড়ে আহত হয়েছেন।  ফলে ওই দিন কাজ করতে পারছে না অনেক দিনমজুর।  দূর্ঘটনা এড়াতে অচিরেই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করার জন্য দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসি। 

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কটিয়াদি ও বাহুবল উপজেলার মিরপুর এলাকাসহ আশপাশের গ্রামগুলোর প্রায় হাজার হাজার মানুষ ওই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছেন। 

উপজেলার মশাজান, আব্দাবকাই, ডেমেস্বর, হাতিরথান, চানপুর, রঘুদয়াল, আউশপাড়া, ধোপাখাল, সুলতানশী, হামিদপুর-শরীফপুর, তারাপাশা, যমুনাবাদ, বনদক্ষিন, তেঘরিয়া, গোপায়া ও নন্দনপুর, কাজীহাটা, তারাপাশা, ভাতকাটিয়া, বাড়িগ্রাম, লামাতাসি, ভাদেশ্বরসহ বাহুবল উপজেলার স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরাসহ প্রায় দুই লক্ষাধিক জনগনের হবিগঞ্জ জেলা শহরের সাথে যোগাযোগের এক মাত্র রাস্তা হচ্ছে ধুলিয়াখাল-মিরপুর আঞ্চলিক সড়কটি। 

এছাড়াও প্রায় ১০ কিলোমিটারের এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত যান বাহন চলাচল করছে।  গুরুত্বপুর্ণ সড়কটির অবস্থা বেহাল হওয়ায় দুর্ভোগ যেন ছাড়ছে না এলাকাবাসির।  এছাড়াও প্রতিনিয়তই ছোট বড় দূর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।  অনেক সময় দেখা যায় ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক (টমটম) উল্টে গিয়ে আহত হচ্ছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।  বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে ছোট ছোট গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে থাকার কারণে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে।  অনেক চালকরা গাড়ির নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ধুমড়ি খেয়ে পড়েন। 

এলাকাবাসির অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবত সড়কটিতে সংস্কার কাজ না হওয়ায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।  ইতিমধ্যে সড়ক মেরামতের দাবীতে স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের লোকজন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

হবিগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে তারাও অবগত রয়েছেন।  তবে অর্থ বছরের শেষ সময় হওয়ার কারণে এখনও আর এ সড়কে কাজ করা সম্ভব নয়।  আগামী বছরের শুরুতে এ সড়কে মেরামতের কাজ শুরু হতে পারে।