৫:০৮ এএম, ৮ ডিসেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার | | ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪




হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন আজ

১৩ নভেম্বর ২০২২, ১০:২৮ এএম |


এসএনএন২৪ ডেস্ক:

নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭৪তম জন্মদিন আজ।  ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর তিনি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের দৌলতপুর গ্রামে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।  কথার জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ একাধারে ছিলেন নাট্যকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, কবি ও গীতিকার। 


সাহিত্যাঙ্গনের এই কিংবদন্তির বাবা ফয়জুর রহমান আহমদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন।  হুমায়ূন আহমেদ তার কীর্তি রেখেছেন শিল্প-সাহিত্যর বেশিরভাগ শাখাতেই। 


ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, চলচ্চিত্রসহ সব শাখাতেই অসম্ভব সফল এই নন্দিত লেখক।  বাংলা সাহিত্য, নাটক, চলচ্চিত্র ও গানে পালাবদলের এ কারিগর ১৯৭২ সালে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ দিয়ে নিজের উপস্থিতি জানান দেন।  এরপর লিখেছেন শতাধিক গ্রন্থ।  টেলিভিশন নাটকেও চমক দেখিয়েছেন তিনি।  বদলে দেন নির্মাণের বাঁক। 


১৯৯০-এর গোড়ার দিকে চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন।  তার পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুনের পরশমণি’ মুক্তি পায় ১৯৯৪ সালে।  ২০০০ সালে ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ও ২০০১ সালে ‘দুই দুয়ারী’ দর্শকের কাছে দারুণ গ্রহণযোগ্যতা পায়।  ২০০৩ সালে নির্মাণ করেন ‘চন্দ্রকথা’। 


১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে নির্মাণ করেন ‘শ্যামল ছায়া’ সিনেমাটি।  এটি ২০০৬ সালে ‘সেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র’ বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।  এ ছাড়াও এটি কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়।  এরপর ২০০৬ সালে মুক্তি পায় ‘৯ নম্বর বিপদ সংকেত’।  ২০০৮ সালে ‘আমার আছে জল’ চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন। 


তার পরিচালনার সর্বশেষ ছবি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ মুক্তি পায় ২০১২ সালে।  নিজের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। 


তবে হুমায়ূন আহমেদ সর্বজন প্রিয় হয়ে আছেন হিমু ও মিসির আলী চরিত্রের স্রষ্টা হিসেবে।  এছাড়াও তাকে বলা হয় তারকা গড়ার কারিগর।  তার হাত ধরে অনেক অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। 


হুমায়ূন আহমেদের বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা।  মুক্তিযুদ্ধে তিনি পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও দোসরদের হাতে শহীদ হন।  মায়ের নাম আয়েশা ফয়েজ।  তার দুই ভাই মুহাম্মদ জাফর ইকবাল ও আহসান হাবীবও লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। 


keya