৮:৪৩ এএম, ২৪ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৮ শা'বান ১৪৩৯

South Asian College

হার্ট ভালো রাখবেন কীভাবে?

০২ জানুয়ারী ২০১৮, ১০:৪১ এএম | রাহুল


এসএনএন২৪.কম : সবাই চায় সুস্থ হার্ট।  দীর্ঘদিন হার্ট সুস্থ রাখতে হলে কিছু নিয়ম মানতে হবে। 

নিয়মিত ব্যয়াম

হার্ট ভালো রাখার প্রথম ও প্রধান উপায় হলো কায়িক পরিশ্রম বাড়ানো।  এই যে আমরা বসে বসে কাজ করি, এটাই হলো আসল সমস্যা।  হার্টকে সুস্থ রাখতে শারীরিক পরিশ্রম এবং নিয়মিত ব্যায়াম খুবই দরকার। 

* নিয়মিত কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে হবে।  জিমে যেতে পারলে তো খুবই ভালো। 

* সপ্তাহে তিন থেকে চারবার ৩০-৬০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। 

* নিয়মিত হাঁটুন।  সকালের নাশতার আগে এবং রাতের খাবারের পরে হাঁটা ভালো।  প্রথমে হাঁটার পরিমাণ ১০-১৫ মিনিট এবং ধীরে ধীরে ৩০ মিনিটে নিয়ে আসুন। 

কাজের ভেতরেও এক্সারসাইজ করা যায়

অফিসে যাওয়ার সময় একটু আগেই গাড়ি ছেড়ে দিন।  এতে কিছুটা পথ হাঁটা হবে। ]

কাছের কোনো দোকানে যেতে চাইলে রিকশা বা গাড়ির পরিবর্তে হাঁটুন। 

লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করুন কিংবা কাঙ্ক্ষিত ফ্লোরের দুই থেকে তিন ফ্লোর আগেই নেমে বাকিটুকু সিঁড়ি দিয়ে নামুন  সাইকেল চালান । 

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

হার্টকে সুস্থ রাখার জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে।  খাবারে চর্বির আধিক্য যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। 

স্যাচুরেটেট ফ্যাট : এই চর্বি শরীরে কোলেস্টেরল বাড়ায়।  আর এটা পাওয়া যায় প্রাণিজ আমিষ জাতীয় খাবারগুলোতে।  যেমন : রেড মিট বা গরু, খাসির মাংস, পোলট্রি হাঁস-মুরগির মাংস, দুগ্ধজাতীয় খাবার পনির, বাটার, ঘি ইত্যাদি।  এসব কম খেতে হবে। 
ট্রান্সফ্যাট : ফ্রাইড ফুড এবং বেকড ফুড যেগুলোকে আমরা ফাস্টফুড বলি, এগুলোতে থাকে ট্রান্সফ্যাট।  এগুলো ছাড়তে হবে। 

প্রচুর পরিমাণে ফলমূল, শাকসবজি খেতে হবে। 
অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। 
সকালে নাশতা এবং দিনে তিনবার খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।  অল্প অল্প করে বেশিবার খেতে হবে। 
কড়া এবং অতিরিক্ত তেলে ভাজার পরিবর্তে ভাঁপ, সিদ্ধ, ঝলসানো, বেক করে রান্না করতে হবে। 
মিষ্টি যত পারেন কম খাবেন। 
প্রতিদিন অন্তত দুই লিটার পানি পান করা উচিত। 
উদ্ভিদ জাতীয় তেল, যেমন—সানফ্লাওয়ার, কর্ণ অয়েল খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার করতে হবে। 
মাছ, মুরগির মাংস, শিম ও ডালজাতীয় যেকোনো খাবার ও চর্বিবিহীন মাংস গ্রহণ করতে হবে। 
ডিমের কুসুম, চিংড়ি মাছ, গরু, খাসির মাংস এবং মগজ পরিহার করতে হবে। 

এ ছাড়া কিছু বিষয় :

ধূমপান ছাড়তে হবে।  ধ্যান, যোগব্যায়াম করতে হবে।  মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।  মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।  পাশাপাশি ঘুম ঠিক রাখতে হবে।  প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।