৮:০১ এএম, ২২ নভেম্বর ২০১৭, বুধবার | | ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

ঘুরে আসুন চট্টগ্রাম

হারিয়ে যান অচেনা জগতে

০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৯:৩৬ এএম | এন এ খোকন


অনেকের মুখেই শুনতে পাই, চট্টগ্রামে দেখার কিছু নেই।  কিন্তু সত্যিই কি তাই? পতেঙ্গা আর সিতাকুণ্ড ছাড়াও চট্টগ্রামে নতুন অনেক জায়গারই উদ্ভব হয়েছে যা আপনাকে চমকে দেবে।  জেনে নিন জায়গাগুলোর কথা-
 
মহামায়া লেক, মিররসরাই-
এটি বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম কৃত্তিম লেক।  পাহাড়ে ঘেরা পূর্ব এই লেকটি নৌকায় ঘুরে বেড়াতে খুবই ভালো লাগবে।  পাবেন পাহাড়ি ঝর্ণার দেখা। 
 
ভাটিয়ারী-
অসম্ভব সুন্দর একটি জায়গা।  এখানে আছে ভাটিয়ারী লেক।  স্ফটিক স্বচ্ছ লেকের পানিতে পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখতে দেখতে ঘুরে বেড়াতে পারবেন ইচ্ছেমতো।  ঘুরে আস্তে পারেন গলফ ক্লাব থেকেও। 
 
শুকতারা পার্ক ও বন্দর লিংক রোড-
অলংকার মোড় থেকে মাত্র ১৫ মিনিটেই চলে যাওয়া যায় এই পার্কে।  যদি পরিবার নিয়ে যান তাহলে চমৎকার একটি জায়গা এটি।  বনভোজন করতে পারেন, ঘুরে বেড়াতেও ভালো লাগবে। 
 
বোয়ালখালী রিভারভিউ বা মুক্তিযোদ্ধা রিভার ভিউ-
কর্ণফুলী নদীর পার ঘেষে নেভালের আদলে গড়ে উঠেছে বোয়ালখালী রিভারভিউ।  কালুরঘাট ব্রীজের নিচ দিয়ে মাত্র ১০ মিনিটের পথ আপনাকে নিয়ে যাবে এখানে। 
 
বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-
অনন্যা আবাসিক ও বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে ঘুরে আসতে পারেন এক বিকেলে। 
 
কাপ্তাই নেভি ক্যাম্প ও সেনা ক্যাম্প-
অসাধারণ পাহাড় আর লেকের মিলবন্ধন দেখে মুগ্ধ হবেন এখানে।  হারিয়ে যেতে পারবেন প্রকৃতির সাথে । 
 
মুহুরি প্রজেক্ট-
সন্ধ্যায় দেখা যায় এই প্রজেক্টের আসল সৌন্দর্য।  নৌকায় প্রিয়জনকে নিয়ে সময় কাটানোর জন্য দারুণ একটি জায়গা এটি। 
 
পারকি সমুদ্র সৈকত-
চট্টগ্রামের অন্য বিচগুলোর মতো এটিও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।  স্থানীয় ভাষায় একে বলে পারকীর চর।  নিরিবিলি শান্ত পরিবেশে সমুদ্রকে উপভোগ করতে চাইলে এর চেয়ে দারুণ জায়গা আর হয় না। 
 
মরিয়ম আশ্রম-
কর্ণফুলির ব্রিজের নিচে মরিয়ম আশ্রম অসাধারণ সুন্দর একটি জায়গা।  সাথে নদীও দেখতে পারবেন আর হিমেল বাতাসে কাটাতে পারবেন অবসর। 
 
বোয়ালখালি করলডেঙ্গা পাহাড়-
মেধশ্রম মুনির আশ্রম যেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজার উৎপত্তি স্থান ধরা হয়। 
 
চা বাগান এবং রাবার বাগান-

ফটিকছড়িতে আছে অসংখ্য চা বাগান আর রাবার বাগান।  রাবার গাছ থেকে সংগ্রহ করা থেকে শুরু করে যাবতীয় সবই দেখতে পারবেন ঘুরে ঘুরে।  চায়ের বাগানের কাছের কারখানায় দেখতে পারবেন চা পাতার প্রসেসিং। 
 
শেখ রাসেল ইকো এমেজমেন্ট পার্ক-
এর অবস্থান রাঙ্গুনিয়ায়।  পাহাড়ে ঘেরা এই পার্কে অন্যান্য বিনোদনের পাশাপাশি আছে বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের ক্যাবল কার। 
 
চন্দ্রঘোনা পেপার মিল-
রায়খালি বাজার এলাকায় এর অবস্থান।  এলাকাটিও চমৎকার সুন্দর।  ঘুরে দেখতে পারেন প্রাচীন এই কারখানাটি। 
 
ফয়েজ লেক-
ফয়েজ লেকের অবর্ণনীয় সৌন্দর্যের কথা সর্বজনস্বীকৃত।  পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারেন এখানে।  শিশুদের বিনোদনের সমস্ত আয়োজনই পাবেন এখানে। 
 
বাটালি পাহাড় বা জিলাপি পাহাড়-
লালখাঁনবাজারের খুব কাছে যার অবস্থান।  জিলাপির মতো পেঁচিয়ে গেছে পাহাড়ে ওঠার পথ, তাই এমন নাম তার।  পাহাড়ের চূড়া থেকে যখন চারপাশে তাকাবেন মনে হবে এযেন অন্য কোন ভুবনে চলে এসেছেন!
 
বাটারফ্লাই পার্ক-
শাহ আমানত বিমান বন্দরের পাশে এই পার্ক।  প্রজাপতির জীবন চক্র, এ নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা সম্পর্কে জানতে ঘুরে আসুন এই পার্কে। 
 
চট্টগ্রাম শিশুপার্ক-
এম এ আজিজ স্টেডিয়াম এর পাশেই পার্কটির অবস্থান।  শিশু সন্তানদের নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার জন্য উত্তম একটি জায়গা। 
 
কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রী-
প্রবর্তক মোড় ও গোলপাহাড় এর মধ্য দিয়ে বাদশা মিয়া রোডের পাশে এর অবস্থান। 
 
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-
না, এটা কোন ভ্রমণ স্থল নয়।  এটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়।  শাটল ট্রেনের মজা নিতে আর পাহাড়ে ঘেরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দেখতে যেতেই পারেন এখানে। 
 
এছাড়া আছে আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশুপার্ক, রেলওয়ে পাহাড় ও জাদুঘর এবং প্রীতিলতা সেন স্মতিস্তম্ভ, নেভাল একাডেমি চট্টগ্রাম, রাঙ্গুনিয়া চা বাগান, বাঁশখালী পাহাড়, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, জিয়া পার্ক বা স্বাধীনতা কমপ্লেক্স।