৫:০১ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৭, শুক্রবার | | ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

হালিশহরে অপহৃত শিশু জুবায়েদ উদ্ধার

১২ নভেম্বর ২০১৭, ০৪:২৮ পিএম | রাহুল


এসএনএন২৪.কম : চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানা এক্সেস রোডস্থ গুলবাগ ওয়ালটন গলি থেকে গত ১১ নভেম্বর বিকাল সময় মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের ছেলে জুবায়েদ(৩) অপহৃত হয়। 

অপহরণের পর সন্ধ্যা ০৭.০০ ঘটিকার সময় অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন করে ছেলের মায়ের মোবাইলে মুক্তিপণ দাবী করেন।  মোবাইল নাম্বারের সূত্র ধরে টানা দীর্ঘ ১৫ ঘন্টা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ ও হালিশহর থানা পুলিশ চট্টগ্রাম জেলাধীন চন্দনাইশ থানা, মহানগরীর পাঁচলাইশ থানা ও চান্দগাঁও  থানা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত শিশু জুবায়েদ(০৩)’কে বদি আলম গলি, পাঁচলাইশ থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং ছোট্ট জুবায়েদের অপহরণকারী তার আপন ফুফা জনাব মোহাম্মদ রফিক(২৬)’কে মহানগরীর বহদ্দারহাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। 

গ্রেফতারকৃত অপহরণকারী মোহাম্মদ রফিক(২৬) পিতা-মৃত নুরুল আলম, মাতা-মৃত মোহছেনা বেগম, সাং-দক্ষিণ বৈলতলী, ৪নং ওয়ার্ড, মির্জা বাঙ্গালীর বাড়ী, থানা-চন্দনাইশ, জেলা-চট্টগ্রাম। 

অপহরণকারী মোঃ রফিক(২৬) কিছু সংস্থা থেকে ঋণ করে টাকা নেয় এবং এই টাকা শোধ করার উদ্দেশ্যে তার স্ত্রীর ভাইয়ের ছেলেকে অপহরণের পরিকল্পনা করে।  সে জুবায়েদকে তার খালার বাসায় শিশুটির মা হাসপাতালে আছে বলে রেখে আবার শ্বশুর বাড়ীতে ফিরে এবং নিজেই মাইকিং করে জুবায়েদ এর সন্ধান চায়।  অতঃপর জুবায়েদের পরিবারের লোকজন হালিশহর থানায় গেলে মোহাম্মদ রফিক বাসা থেকে পালিয়ে যায় এবং সবার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে।  অতঃপর সে অপরিচিত মোবাইল থেকে ফোন করে কন্ঠ নকল করে মুক্তিপণ দাবী করে এবং টাকা না দিলে বাচ্চা ফেরত পাবে না মর্মে জানায়। 

হালিশহর থানা পুলিশ মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় কামনা করলে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম) জনাব পলাশ কান্তি নাথ ও অফিসার ইনচার্জ, হালিশহর থানা জনাব মোঃ মাহফুজুর রহমান এর নেতৃত্বে ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জনাব মোঃ জোবায়ের, হালিশহর থানা, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এসআই/শিবেন বিশ্বাস, এসআই/মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, নায়েক/মাইকেল বড়–য়া, কং/রিপন চাকমা, কং/অহিদ অভিযানে বেরিয়ে পরেন। 

মোবাইল নাম্বারের সূত্র ধরে এবং বিভিন্ন কলা কৌশলে টানা ১৫ ঘন্টার অভিযানের পর পুলিশের জালে বহদ্দারহাট এলাকায় অপহরণকারী মোহাম্মদ রফিক ধরা দেয়।  তাহার স্বীকারোক্তিমতে অপহৃত শিশুকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে হালিশহর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।