২:০১ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার | | ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




১৫টির বেশি সিম থাকলে বৃহস্পতিবার থেকে বন্ধ

২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২:৩৬ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : একটি  জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে ১৫টির সিম ব্যবহারের অনুমোদন রয়েছে।  কিন্তু এর বাইরেও অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন রয়েছে অনেকেরই।  এই সংখ্যা প্রায় কয়েক লক্ষাধিক। 

নিবন্ধনকৃত ১৫টির বেশি এই অতিরিক্ত বন্ধ হয়ে যাবে বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দিনগত রাত ১২টায়।  তবে কর্পোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। 

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, পাঁচটি অপারেটরের ২০ লাখ ৪৯ হাজার সিম ওই রাতে নিষ্ক্রিয় করা হবে।  এক এনআইডির বিপরীতে অসংখ্য সিম নিয়ে অপরাধ প্রবণতা থেকে মুক্ত রাখতে অতিরিক্ত সিম বন্ধ করা হচ্ছে। 

নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের পর সব গ্রাহকের তথ্য বিটিআরসির কাছে রক্ষিত আছে।  কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে কার কাছে কতটি সিম রয়েছে।  এতে অপরাধ প্রবণতা কমে এসেছে বলে দাবি করছে সরকার। 

বিটিআরসি জানায়, অতিরিক্ত সিমের মধ্যে গ্রামীণফোনের চার লাখ ৬১ হাজার, বাংলালিংকের চার লাখ ৫৫ হাজার, রবি’র চার লাখ ১৯ হাজার এবং টেলিটকের চার লাখ ৮৭ হাজার সিম বন্ধ করা হবে।  এর আগে কয়েক দফায় ১৫টির বেশি সিম নিষ্ক্রিয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। 

নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা জানারও সুযোগ করে দিয়েছে বিটিআরসি।  গ্রাহক তার নামে কত সংখ্যক সিম রয়েছে তা *১৬০০১# ডায়াল করে ফিরতি রিপ্লাই অনুসরণ করে বিনামূল্যে সংখ্যা জানা যাবে। 

২০১৬ সালের ১২ জুন সরকারের নির্দেশনায় গ্রাহক প্রতি ২০টি সংযোগ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল।  পরবর্তীতে এ সংখ্যা কমিয়ে ৫টি নির্ধারণ করে সরকার।  এরপর ২০১৭ সালে ১৫টি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল। 

বিটিআরসির সর্বশেষ মার্চের হিসেবে দেখা গেছে, দেশে মোট ১৫ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার সিমের মধ্যে গ্রামীণফোনের ৭ কোটি ৪০ লাখ ৫৩ হাজার, রবি’র ৪ কোটি ৭৩ লাখ ৪১ হাজার, বাংলালিংকের ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৭২ হাজার এবং টেলিটকের ৪০ লাখ ১৪ হাজার সিমের গ্রাহক রয়েছে।