১১:৪৩ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, রোববার | | ৩ মুহররম ১৪৩৯

South Asian College

১ মাসে ১৪৬ টি জনসভায় প্রধান অতিথি, অালোচিত এমপি কুদ্দুস

১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৯:২৯ এএম | রাহুল


সাকলাইন শুভ,বড়াইগ্রাম(নাটোর) প্রতিনিধি : নির্বাচনী এলাকা ৬১-নাটোর -৪ (বড়াইগ্রাম ও গুরুদাসপুর) অাসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও নাটোর জেলা অাওয়ামীলীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এমপি। 

আগস্ট শোকের মাস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ৬১-নাটোর -৪ (বড়াইগ্রাম ও গুরুদাসপুর) দুটি থানায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সহ সর্বমোট ১৪৬ টি জনসভায় প্রধাণ অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। 

এক অনন্য নজীর স্থাপন করেছেন উত্তর অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন পাওয়া বঙ্গবন্ধুর স্নেহাশিস সহযোদ্ধা নাটোর-৪ অাসনে মোট ৫ (পাঁচ) বার (১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮  ও ২০১৪) নির্বাচিত এমপি পরিশ্রমী এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ।  

শোকের মাস আগস্ট জুড়ে তিনি গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলার মোট ১৩টি ইউনিয়ন ও ৩টি পৌর সভায় শোকের কর্মসুচি ছাড়াও তাঁর নির্বাচনী এলাকার  মানুষের দুঃখ-দুর্দশা অবসান ঘটাবার জন্য তিঁনি দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। 

চলনবিলের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত গুরুদাসপুর উপজেলার নিভৃর্ত পল্লীর  বিলশা গ্রামে মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এমপি ১৯৪৫ সালে ৩১ অক্টোবর পিতা  মৃত হায়েতুল্লা সরদার ও মাতা মৃত গুলেনুর বেগমের ঘরে জন্মগ্রহন করেন। 

ছাত্র রাজনীতির শুরুতে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগে নাম লেখান।  রাজনীতির শুরুতে তিনি বঙ্গবন্ধুর ডাকে ১৯৬৬ সালে ছয় দফা আন্দোলন যা  বাঙালির মুক্তির সনদ সেখানে তিনি অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। 

বঙ্গবন্ধু তার রাজনীতিক মেধা, প্রতিভা,পরিশ্রম,সাহস ও দেশ প্রেম দেখে মুগ্ধ হন এবং বৃহতর রাজশাহী জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি নির্বাচিত করেন।  তাছাড়াও তিনি রাজশাহী কলেজ ছাত্র সংসদের
ভিপি ও ছিলেন। 

তারপর ১৯৬৯ সালে গন-অভুর্থনের সময় সমগ্র উত্তর বঙ্গের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।  স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন। 
১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার

পর প্রতিবাদ করায় বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা তাকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠান,বঙ্গবন্ধু হত্যার

প্রতিবাদ করার অপরাধে দীর্ঘ ৫ (পাঁচ) বছর  ৯ (নয়) মাস জেলে বন্দী থাকেন। 

কারাগারে বন্দী অবস্থায় তিনি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। 

তারপর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের ( ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্ব পালন করেন। 

এরপর রাজশাহী মহানগরীতে উন্নীত হলে রাজশাহী মহানগরী আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। 

ইতিমধ্যে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মৎস্য ও পুশ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সফল প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। 

বর্তমানে তিনি নাটোর -৪ এর সাংসদ সদস্য ও নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।