২:২৮ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার | | ৪ সফর ১৪৪২




২’টি কবিতা

৩০ নভেম্বর -০০০১, ১২:০০ এএম |


এসএনএন২৪.কম : সে এবং তুমির শিকড় উৎপাটন শেষে মেয়েটি একটি সবুজ টিয়া হলো, অলৌকিক
পালক খসাতে খসাতে অভ্যস্ত জীবনের গণ্ডির বাইরে এক গলা জলে নামালো অথচ

শৈশব
তোকে দেখি না কতোদিন
তোর নাম ডালিম গাছের ডালে বসে উড়ে যাওয়া দোয়েল পাখি
তোর নাম শেষ বিকেলের অশ্রুর মতো ঝরে পড়া শান্তির হাসি...
তুই ছুটে বেড়াতিস আমাদের ধুলোমাখা পায়ের ছন্দে
খেলতিস ফুটবল ক্রিকেট। 

তোকে দেখি না কতোদিন
তুই'ত শিশির ফোঁটা; সমুদ্র পেটে নিয়ে চেয়ে থাকতিস। 
না, সকাল-বিকেল চারাগাছে পানি দিতিস
না, তুই ছিলি চারাগাছ শীতের সবজি-স্বজন। 
না! তুই ঘুড়ি উড়াতিস আকাশে
অথবা ছিলি সুতাভর্তি নাটাইয়ের চালক
কিংবা তোরই নাম ঘুড়ি ওড়ানো সেদিনের বিকেলবেলা। 

তোকে দেখি না কতোদিন...

বিরহ কথন
আমি তো সই আছি বেঁচে মরার আগে মরে গো
প্রেম শিখায় আমায় বিনোদিনী ভজে আয়ান ঘোষে গো
আমি তো মরার আগেই মরে আছি বেঁচে গো। 

তারে খাওয়ায় বিনোদিনী ঘৃত-মধু ননি গো দরদী
আমায় রাখে ব্যথার চিতায় ছাই হয় গাঙের পানি
আমি তো মরার আগেই মরে আছি বেঁচে গো। 

তারই জন্যে ঘাটে আসি, বাজাই বাঁশি বিনোদিনী জানে গো
কলসী ভরতে আসে না, ছল করে সে, আমায় ভালোবাসে না
এমন বাঁচা মরণ নয়তো মরণ কারে বলো গো।    

লোকে বলে ছলাকলা মায়ার খেলা চোখের গাঙে ঢেউ
দেহের শাখায় জলের তৃষ্ণা মানে না বিনোদিনী গো দরদী
আমি তো মরার আগেই মরে আছি বেঁচে গো। 

নিশি