৬:৪২ এএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৯ মুহররম ১৪৪০


৩ নম্বর সতর্ক সংকেত:ভূমিধসের শঙ্কা

১৩ জুন ২০১৮, ০৩:৪৫ পিএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম : বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হয়েছে।  এতে উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝড়ো বাতাস বয়ে যাওয়ার শঙ্কায় সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। 

একই সঙ্গে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোনো কোনো স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। 
 
বুধবার সকাল থেকেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আকাশ মেঘলা রয়েছে।  কোথাও কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে।  বৃষ্টিতে রাজধানীবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। 
 
গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের সব জেলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে।  এর মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ ২২৭ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে ফেনীতে, কুমিল্লায় ১২২ মি.মি. সীতাকুণ্ডে ১০৫ মি.মি. এবং টেকনাফে ১০১ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। 
এছাড়া বরিশালের খেপুপাড়ায় ১২৫ মি.মি., বরিশালে ৫ মি.মি., সিলেটে ১০২ মি.মি., ঢাকায় ৫৮ মি.মি. ও খুলনায় ১৩ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। 
 
অন্য দিকে, দেশের সর্বোচ্চ যশোরে ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বুধবার। 
 
সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতিতে বলা হয়, মৌসুমী বায়ু উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল আকার ধারণ করেছে।  এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।  উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। 
 
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।  উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছধরা নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।  সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে। 
 
তিনি আরো জানান, সকাল ১১টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী (৪৪-৮৮ মি.মি.) থেকে অতিভারী (>৮৯ মি.মি.) বর্ষণ হতে পারে।  অতিভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে।