৮:২৯ এএম, ১৯ আগস্ট ২০১৮, রোববার | | ৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


৩ বছরের জন্যে পোশাকে শিল্পে উৎসে কর মওকুফ চায় বিজিএমইএ

১০ মে ২০১৮, ০৭:৫০ পিএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : আসছে বাজেটে, অন্তত তিন বছরের জন্য তৈরি পোশাক শিল্পে উৎসে কর মওকুফ চায় বিজিএমইএ। 

আর করপোরেট কর কমানো ও রপ্তানি প্রণোদনার দাবি গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং শিল্প মালিকদের।  পরিপক্ষ বিবেচনায়, তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের দাবির বিপক্ষে মত দিলেও আনুসঙ্গিক পণ্য তৈরিতে সুবিধা বাড়ানো দরকার বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। 

চার দশক আগে যাত্রা শুরু, আর বর্তমানে ৪ হাজারের বেশি তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মসংস্থান ৪৪ লাখ মানুষের।  রপ্তানির আয়ের ৮০ ভাগের বেশি আসে এই একটি খাত থেকে।  স্বাভাবিকভাবেই পোশাক শিল্পের সুযোগ-সুবিধার দিকে একটু বেশিই নজর থাকে নীতি নির্ধারকদের। 

আসছে বাজেটে তাই, এখাতে বিদ্যমান উৎসে কর দশমিক ৭ শতাংশ থেকে অব্যাহতির পুরনো দাবি নতুন করে তুলেছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। 

বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমাদের স্বীকার করতে হবে, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।  আমাদের কিছু মেশিনারিজ আপডেট করতে হবে।  আমাদের দাবি, অন্তত আগামী তিন বছর আমাদের থেকে উৎস কর আদায় বন্ধ করে দেয়া হোক। 

পোশাক খাতের চাহিদা মেটাতেই গড়ে উঠেছে গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং শিল্পের।  বর্তমানে কার্টুন, জিপার, রাবার, বোতাম-সহ বিভিন্ন খাতে দরকারি ৩০-৩২ ধরনের আনুসঙ্গিক পণ্য তৈরিও হচ্ছে দেশেই।  তবে, তৈরি পোশাক খাতে করপোরেট কর হার ১০ ও ১২ শতাংশ হলেও অ্যাক্সেসরিজ খাতে এই কর হার ৩৫ শতাংশ।  যা কমানোর পাশাপাশি রপ্তানি প্রণোদনা দেয়ার দাবি উদ্যোক্তাদের। 

বিভিন্ন খাতের দাবি আর বাস্তবতা, এই দুই মিলিয়ে তৈরি পোশাক শিল্পে সুবিধা না বাড়িয়ে অ্যাক্সেসরিজ খাতের করপোরেট কর হার কমানোর পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের। 

বিজিএপিএমইএ’র সভাপতি মো. আব্দুল কাদের খান বলেন, আমরা আশাবাদী তারা কর্পোরেট ট্যাক্স একটা সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে আসবেন। 

বাজেট এলেই নানামুখী দাবি উঠে বিভিন্ন শিল্প সংগঠনের পক্ষ থেকে।  এসব দাবির বিপরীতে রাজস্ব আয়ের হিসাব মাথায় রেখেই নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণায় আসে নানান সিদ্ধান্ত।  এবারের ঘোষণায়, করের হার কমানোর দাবি যেমন আছে, তেমনি রপ্তানি বাড়াতে কম খরচে নিরবিচ্ছিন্ন জ্বালানির যোগান আর বন্দর ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা চান তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা।