১১:৫২ পিএম, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার | | ২০ জ্বিলকদ ১৪৪০




৯ কোটি ৪৪ লাখ দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক :মোস্তাফা জব্বার

০৯ জুলাই ২০১৯, ০৮:০৩ পিএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ৯ কোটি ৪৪ লাখ বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। 

রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটক ইন্টারনেট সেবার মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে বলেও তিনি জানান। 

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগে সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।  আবদুল লতিফের অনুপস্থিতিতে তার পক্ষে শহীদুজ্জামান সরকার প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।  এসময় সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। 

মন্ত্রী বলেন, দেশে ইন্টারনেটের দাম কমেনি এমন তথ্য সঠিক নয়।  বরং দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেটের দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা হয়েছে।  ইন্টারনেটের সরকার নির্ধারিত মূল্যা প্রতি মেগাবাইট ১ টাকা।  ২০০৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে ইন্টারনেটের গ্রাহক সংখ্যা ছিল মাত্র ৬০ লাখ, যা বেড়ে ২০১৯ সালের মে পর্যন্ত ৯ কোটি ৪৪ লাখ হয়েছে।  

‘এছাড়া সরকারি খাতে টেলিযোগাযোগ সেবা দেওয়া অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লি: (বিটিসিএল) অত্যন্ত সুলভমূল্যে ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইথ চার্জ বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে কমিয়েছে।  প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউউথ চার্জ ২০১৮ সালে ছিল ২৭ হাজার যা বর্তমানে সর্বনিম্ন ১৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ’

মন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটক ইন্টারনেট সেবার মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করেছে।  ২০১৮ সালে যেখানে ১ জিবি ইন্টারনেটের সেবামূল্য ছিল ২২১ টাকা তা বর্তমানে কমিয়ে সর্বসাধারণের জন্য ৪৬ টাকা এবং ছাত্রদের জন্য ৪৩ টাকা (৩০ দিন মেয়াদ) নির্ধারণ করা হয়েছে। 

আওয়ামী লীগের আরেক সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, ইন্টারনেটের সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রতি মেগাবাইট ১ টাকা।  বর্তমানে এই মূল্যের কমেই প্রতিষ্ঠানগুলো ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে।  ইন্টারনেটের মূল্য পুনর্বিবেচনার জন্য বিটিআরসি থেকে ডাটা কস্ট মডেলিংয়ের কাজ চলমান।  মানসম্মত ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করার জন্য বিটিআরসি নিয়মিত ড্রাইভ টেস্ট পরিচালনা করে।  তাছাড়া এমএনপি সুবিধা টাওয়ার শেয়ারিং সুবিধা এবং ৪-জি চালু করা হয়েছে।  একই সঙ্গে সেবার মান মনিটরিং করা হচ্ছে।  সব অপারেটরকে সেবার মান উন্নত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে