৩:১৯ পিএম, ২৪ অক্টোবর ২০২১, রোববার | | ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩




জরিমানা গুনতে হলো অ্যাপলকে

২১ মার্চ ২০২১, ০১:১৩ পিএম |


এসএনএন২৪.কমঃ বিশ্বের বিলাসবহুল প্রযুক্তি পণ্যের বাজারে এখন রাজত্ব করছে অ্যাপল। 

অ্যাপলের আইফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ কিংবা স্মার্টওয়াচ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই।  সবসময় অপেক্ষা, নতুন কী চমক নিয়ে আসছে অ্যাপল।  মুনাফাও আসে অনেক।  কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের টেক জায়ান্ট এবার তোপের মুখে পড়েছে। 

পাওয়ার অ্যাডাপটার বা চার্জার ছাড়া আইফোন বিক্রি করায় অ্যাপলকে অন্তত ২০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়েছে। 

এ জরিমানা করেছে ব্রাজিলের সাও পাওলোর ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রোকন-এসপি।  ক্রেতাদের অভিযোগ, অ্যাপল নতুন আইফোনের সঙ্গে কোনো চার্জার বিক্রি করছে না।  অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর অ্যাপলকে জরিমানা করা হয়েছে।  আইফোন টুয়েলভসহ নতুন মডেলের ফোনগুলোর শিপমেন্টে অ্যাপল শুধু ক্যাবল আর পাওয়ার ব্রিক দিচ্ছে।  পাওয়ার ব্রিক একটি আলাদা পাওয়ার সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করে ল্যাপটপ বা নোটবুকের জন্য। 

গেল বছরের অক্টোবরে ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারনিটোর ফার্ম অ্যাপল এ ধরনের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেয়।  এরপর থেকে আইফোনের বক্সে এয়ারপড আর চার্জার দিচ্ছে না অ্যাপল। 

অ্যাপল কর্তৃপক্ষ বলছে, এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পরিবেশ সুরক্ষায়।  ২০৩০ সালে নিজেদের কোম্পানিকে শতভাগ কার্বনমুক্ত ঘোষণা করতে চায় অ্যাপল। 

অ্যাপলের দাবি, এয়ারফোন আর চার্জার ছাড়া আইফোন শিপমেন্টের কারণে প্যাকেজিংয়ের পরিমাণ কমে গেছে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত।  অ্যাপল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পণ্য একই সময় বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে পারছে।  সেই সঙ্গে শিপমেন্টের পরিমাণ কমেছে, কমেছে কার্বন নিঃসরণও। 

অ্যাপলের এ বিবৃতির পর ব্রাজিলের প্রোকন এসপি দাবি করেছে, অ্যাপলকে প্রমাণ করতে হবে যে, আইফোনের বক্সে চার্জার না দিলে কার্বন নিঃসরণ কমবে।  কমবে খনন কাজ আর মূল্যবান ধাতুর ব্যবহার।  পাশাপাশি চার্জার আর এয়ারফোন না দিয়েও অ্যাপল কেন আইফোন টুয়েলভেরর দাম কমায়নি, সে প্রশ্নও অ্যাপল কর্তৃপক্ষকে করেছে প্রোকন এসপি।  অ্যাপল দাবি করেছে তাদের আইফোন টুয়েলভ পরিবেশবান্ধব।  এই পরিবেশবান্ধব আইফোন চার্জার ছাড়া বিক্রি করে সারাবিশ্বেই সমালোচনার মুখে পড়েছে অ্যাপল। 

এ জরিমানা বা সমালোচনা কোনটাই অ্যাপলকে তোপের মুখে ফেলবে না বলে মত প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের।  কারণ ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকেই অ্যাপলের আয় ১১ হাজার ১৪০ কোটি ডলার।