২:১৩ পিএম, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, শুক্রবার | | ৯ সফর ১৪৪৩




বাজেটে আইসিটি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ

০২ জুন ২০২১, ১০:৫২ এএম |


এসএনএন২৪.কম: ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতিকে আরও এগিয়ে নিতে আইসিটি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি। 

সোমবার (৩১ মে) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের কাছে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে এ সুপারিশ করা হয়। 

ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা সরাসরি মাঠ পর্যায়ে জনগণের সেবা দিচ্ছেন তাদের তথ্যপ্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অ্যাডভানভেড আইটিতে দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারিভাবে কিছু প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি।  এছাড়া দেশের শিক্ষিত তরুণ জনগোষ্ঠীকে অ্যাডভানভেড আইটিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে স্ব-কর্মসংস্থান তৈরি হবে ও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে।  

এছাড়া দেশীয় সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশে দেশীয় সফটওয়্যার ক্রয়ে ট্যাক্স ছাড় নীতিমালা প্রণয়ন করা ও বিকাশমান স্টার্টআপগুলোতে সরকারের বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব হলে তথ্যপ্রযুক্তিতে টেকসই উন্নয়ন অর্জনের গতি ত্বরান্বিত হবে।  এজন্য কিছু সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়-

১. সরকারি কর্মকর্তা/প্রকৌশলী/গোষ্ঠী/ব্যক্তি শ্রেণির জন্য আইটি ম্যানেজমেন্ট (বেসিক ও অ্যাডভান্সড), প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, ইনফরমেশন সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট, আইটি অডিট, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, ই-গভর্নেন্স ও অটোমেশন ইত্যাদি সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা। 

২. স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আইসিটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রযুক্তি নির্ভর যুগোপযোগী শিক্ষাদানের উপযোগী করে গড়ে তোলা। 

৩. সেন্টার ফর এক্সিলেন্স ও শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট ফর ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির মাধ্যমে রোবোটিক্স, ব্লক চেইন, আইওটি, বিগ ডেটা অ্যানালিটিকস, মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং, থ্রিডি প্রিন্টিংসহ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তিগুলোর ওপর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। 

৪. দেশি সফটওয়্যার ও আইটিইএস সেবা ক্রয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া ও ট্যাক্স ছাড় নীতিমালা প্রণয়ন করা।  একইসঙ্গে বিদেশি বিশেষায়িত সফটওয়্যার (পার্সোনাল ইউজ সফটওয়্যার ব্যতীত)-এর ওপর অধিক কর ধার্যের মাধ্যমে দেশীয় সফটওয়্যার ও আইটিইএস শিল্পকে উৎসাহিত করা। 

৫. একটি টেকসই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের মূলধন বাড়ানো ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোতে সরকারের বিনিয়োগ বাড়ানো এবং রেজিস্টার্ড আউটসোর্সারদের জন্য ঋণ সুবিধার ব্যবস্থা করা।