৮:৫৫ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রোববার | | ২৮ সফর ১৪৪৪




লামার ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচনের হালচাল

০৪ নভেম্বর ২০২১, ১২:৩৪ পিএম |


লামা প্রতিনিধিঃ

লামা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে আগামী ১১ নভেম্বর ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।  ৭টি ইউনিয়নে বৈধ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ১৮ জন, সংরক্ষিত আসনে মহিলা মেম্বার পদপ্রার্থী ৬৫ জন ও মেম্বার পদপ্রার্থী ২২১ জন।  

চেয়ারম্যান পদে পদপ্রার্থী ১৮ জনের মধ্যে ৭ জন আওয়ামী লীগ মনোনীত, ১ জন জাতীয় পার্টি ও ১০ জন স্বতন্ত্র থেকে।  স্বতন্ত্র ১০ জনের মধ্যে ২ জন আওয়ামী বিদ্রোহী হওয়ায় তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।  তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও লামা সদর ইউনিয়নের আক্তার কামাল এবং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক।  

গত ২৭ অক্টোবর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।  তারপর থেকে শুরু হয়েছে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা।  

সবকয়টি ইউনিয়নের সব দলের প্রার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখন পর্যন্ত বড় কোন ধরনের সমস্যা ছাড়া চলছে প্রচার প্রচারণা।  তবে ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে (আজিজনগর, ফাইতং, সরই ও ফাঁসিয়াখালী) স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জানান, এই ইউনিয়ন গুলোতে রয়েছে বহিরাগত লোকজন আনাগোনা।  এদের ঠেকানো না গেলে নির্বাচনের দিন ঝামেলা বাড়তে পারে।  এছাড়া ৭টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বার সব প্রার্থীদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার বিষয়টি লক্ষ্যণীয়।  

এদিকে সব প্রার্থীরা মিছিল, মিটিং, উঠান বৈঠক, জনসভা, মাইকিং, জনসংযোগ করে যাচ্ছে।  নির্বাচন বিধিমালা মতে রাত ৮টার পর প্রচার প্রচারণা বন্ধ করার কথা থাকলেও অনেকে তা মানছেনা।  অনেক রাত পর্যন্ত করছে উঠান বৈঠক ও জনসভা।  

কয়েকটি ইউনিয়নে সরকার দলীয় কিছু লোকজন দলের প্রার্থীর বিপক্ষে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে।  বিষয়টি নিতে সমাধানে ইতিমধ্যে জেলার নেতৃবৃন্দরা গত দুইদিন যাবৎ লামা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন করেন ও তাদের সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা চলছে।  

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য সকল ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলা জানা যায়।  ভোটাররা যেন কোন ধরনের ভয়ভীতি ছাড়া কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারে তার জন্য করণীয় সব করা হচ্ছে।  

উপজেলা নির্বাচন অফিনের সূত্রে জানা যায়, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ, আনসার, ভিডিপির পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী ও বিজিবি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। 


keya