৩:৫১ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭, সোমবার | | ৪ মুহররম ১৪৩৯

South Asian College

ঝালকাঠি সোনালী ব্যাংকে ভাতাভোগীদের ভীড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে কর্মকর্তারা

২৯ আগস্ট ২০১৭, ০৫:৩১ পিএম | রাহুল


মোঃ রাজু খান, ঝালকাঠিঃ ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনেই অবস্থিত সোনালী  ব্যাংকের কোর্ট রোড শাখা কার্যালয়।  প্রতি মাসের শুরুতে অথবা শেষের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যাবে ব্যাংকের সামনে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ ও বিভিন্ন বয়সী নারীদের ভীড়।  মুক্তিযোদ্ধা ও বৃদ্ধদের হাতে চলার সহায়ক উপাদান হিসেবে লাঠি।  মহিলাদের সাথে থাকছে শিশুরা।  বৃদ্ধদের খক খক কাঁশি ও বাচ্চাদের হাউমাউ শব্দে একাকার থাকে ব্যাংকের ভিতর ও বাহিরের চত্বর। 

এদের কাঙ্খিত সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।  গতকাল সোমবার দুপুরে ব্যাংকে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।  ব্যাংক সূত্র জানায়, এ ব্যাংক থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতা গ্রহণ করে ১১ শত ১০, বয়স্ক ভাতা গ্রহণ করে প্রায় ২ হাজার, বিধবা ভাতা গ্রহণ করে প্রায় ৪ শত, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা গ্রহণ করে প্রায় ৭শ ও প্রতিবন্ধী ভাতা গ্রহণ করে ৪৫০ জনে।  এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সরকারী চাকরীজীবীদের বেতন ভাতা উত্তোলন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক ড্রাফ, চালান ফরম ও নিয়মিত লেন-দেনের গ্রাহকরা তো রয়েছেই। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক গ্রাহক জানান, আমরা সরকারী ব্যাংক হিসেবে এখানে আসি।  কিন্তু সরকারও সব কাজ এ ব্যাংকের উপর দিয়ে থাকে।  কাজের গুরুত্ব অনুসারে অন্যান্য ব্যাংকে বণ্টন করে দিলে এক ব্যাংকে এতো চাপ পড়তো না। 

ব্যাংকের ব্যবস্থাপক রাজিয়া সুলতানা জানান, গ্রাহকের ভীড় যতই থাকুক আমরা সাধ্যমতো সেবা দিতে চেষ্টা করি।  কিন্তু অনেক সময় গ্রাহকরা ধৈর্য্য না ধরে রাগান্বিত হয়ে যায়।  আমাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করে থাকে।  এখন কোরবানী উপলক্ষ্যে একটু বাড়তি চাপ পড়ছে।  সবকিছু মিলিয়ে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা দিয়ে আমরা সবাইকে ব্যাংকিং সেবা দিয়ে যাচ্ছি।