১:৫১ পিএম, ২১ নভেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | | ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

চট্রগ্রামের খুচরা চামড়া বেপারীগণ হতাশ

অবৈধ সেন্ডিকেটের কারণে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত চামড়া বিক্রেতা

০২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৯:২৬ পিএম | রাহুল


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শেষ মূহূর্তেই কোরবানীর পশুর হাটে যেভাবে গরু-ছাগল সংকট সৃষ্টি হয়েছিল টিক তেমনি পশু জবাই পরে এবার সংগৃহিত মূল্যবান চামড়াটি ন্যায্য দাম না দেওয়াতে হতাশ হয়েছেন চট্রগ্রামের খুচরা চামড়া বেপারীগণ।  শনিবার দুপুর থেকেই জবকৃত পশুর চামড়া গুলো স্তরে স্তরে পড়ে থাকতে দেখা যাই। 

দুপুর ২টায় পতেঙ্গার খুচরা বেপারী আজাদ জানান, নগরীতে টেনারী শিল্প কমে যাওয়ায় চামড়া কিনতে উৎসাহ দেখাচ্ছেনা  আডৎদারগন।  এছাড়া কিছু মধ্যস্বর্তভোগি সেন্ডিকেটের কারণে চামড়ার প্রকৃত দাম না বেপারীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। তবে বিভিন্ন সমস্যার কারণে দেখিয়ে পুরাতন অনেক আড়ৎদার এবার চামড়া কিনতে মাঠে নামেনি। আর সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া না কিনাও চরম হতাশ হয়ে তৃণমূলের চামড়া ক্রেতারা পড়েছে দারুণ বিপাকে।  তারা গ্রাহকদের কাছে ন্যায্যমূল্যের জন্য নানা ভাবে নাজেহাল হবার দৃশ্যও দেখা গেছে।  

ইপিজেডের আশ্রাফ বলেন, /২লাখ টাকা দিয়ে গরু কোরবানী দিলাম আর চামড়া বিক্রির টাকা যদি ৫শত-৭শত টাকা দেন তাহলে সেই চামড়া বিক্রিয় না দিয়ে মাঠিতে পুতে দিব। এছাড়া  বন্দর -ইপেজড (সল্টগোলা ক্রসিং) এলাকার কিছু অসাধু চামড়া বেপারী মধ্যস্বর্তভোগি সেন্ডিকেটের লোক মসজিদ/মাদ্রাসা এতিমখানায় চামড়ার বিক্রির টাকা দিবে বলে অল্প মূল্যে ধরিয়ে দিয়ে গ্রাহদের সাথে চরম প্রতারণা করছেন বলে একাধিক কোরবানীদাতা এই প্রতিবেদক কে অভিযোগ করেন। 

আবার একাধিক চামড়া বেপারী নাম প্রকাশ না করার স্বর্থে বলেন,বর্তমানে হঠাৎ করে সরকার লবনের দাম বাড়িয়ে দেওয়াতে প্রকৃত খরিদদার গন চড়া দামে পশুর চামড়া কিনে লোকসান হবে চিন্তা করে ন্যায্য দাম থেকে কিছুটা কম দামে চামড়া ক্রয় করতে উৎসাহ দেখান।  তবে চামড়া শিল্পের কারও বক্তব্য সঠিক ভাবে না পাওয়া যাওয়ায় তার তথ্য জানানো সম্ভব হলো না। যাই হোক চট্রগ্রামের চামড়া বেপারীরা যে, এবার হতাশ হবেন তা এক প্রকার ণিশ্চিত বলা চলা।