১১:২০ এএম, ২২ নভেম্বর ২০১৭, বুধবার | | ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

লালমোহনে স্বামীর ইন্দোনে পরিবারের গৃহবধুকে নির্যাতন

০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১:৪৮ এএম | রাহুল


মো:আমজাদ হোসেন, ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহনে স্বামীর ইন্দোনে পরিবারের স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিত ভিকটিম সুত্রে যানা যায় উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের রায়রাবাদ গ্রামের মোঃ আনিচল হক এর পুত্র মোঃ শাহিনের  সাথে ২০০৪ সালে লালমোহন পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড়ের মৃত রমজান আলীর মেয়ে আরজু বেগমের সাথে বিবাহ হয়। বিবাহের সময় আরজুর পরিবার শাহিন কে ৭০০০ হাজার টাকা যৌতুক দেয়। 

বিবাহের পর তাদের সংসার ভালো ভাবে চলছিলো কিন্তু কিছুদিন আগে আরজু জানতে পারে শাহিনের সাথে অন্য এক মহিলার সম্পর্ক  আছে সে কথা শাহিনকে জিজ্ঞেস করলে শুরু হয় সংসারে অশান্তি এর পর শাহিন চলে যায় ঢাকা সেখানে গিয়ে আর আরজুর কোন খোজ খবর রাখে না।  আরজু কষ্ট করে না চলতে পেরে বাপের বাড়ি চলে আসে,শাহিন খবর শুনে মোবাইল করে আরজুকে চলে যেতে বলে এবং প্রতিশ্রুতি দেয় সংসার চালাবে আর কোন সমস্যা হবেনা।  স্বামীর কথা শুনে বাড়িতে চলে যায় আরজু। 

বাড়ি যাওয়ার পর আবারও কিছুদিন ঠিক মতো সংসার চালায় শাহিন কিন্তু কিছুদিন পর আবার সংসার চালানো বন্ধ করে দেয় পাষন্ড স্বামী,কোন রকম কষ্ট করে আরজু তাহার তিনটি সন্তান নিয়ে দিন যাপন করতে থাকে। ঈদের আগের দিন শাহিন কে ফোন করে বলে ছেলে মেয়ের জন্য ঈদের পোশাক কিনতে টাকা পাঠাতে পারবেনা বলে বাপের বাড়ি চলে যেতে বলে আর  না গেলে যাওয়ার ব্যবস্থা করবে বলে পরিবারের লোকজনকে বলে শাহিন। 

ঈদের দিন সকালে আরজু তাহার শশুরকে জানাতে রওনা হলে পথের মধ্যে শাহিনের বাড়ির কুলসুম আরজুকে এলো পাথরি কিল ঘুষি শুরু করে এবং মাথায় ইট মারে, ইটের আঘাতে তাহার মাথা পেটে যায় রক্ত পরতে শুরু করে এই অবস্থা দেকে স্থানীয় কয় জন তাহাকে রিক্সা করে লালমোহন পাঠিয়ে দেয় লালমোহন আসলে তাহার ভাই তাহাকে লালমোহন সদর হাসপাতালে ভর্তি করান সে এখন লালমোহন হাসপাতালে চিৎকিসা দিন আছে। বাপে বাড়ি চলে যেতে বলে  না গেলে যাওয়ার ব্যবস্থা করবে আজ সকালে আরজু তাহার শশুরকে জানাতে রওনা হলে পথের মধ্যে শাহিনের বাড়ির কুলসুম আরজুকে এলো পাথরি কিল ঘুষি শুর করে এবং মাথায় ইট মারে, ইটের আঘাতে তাহার মাথা ফেটে রক্ত পড়তে শুরু করে এই অবস্থা দেখে স্থানীয় লোকজন আরজুকে রিক্সা করে লালমোহন পাঠিয়ে দেয়। 

লালমোহন আসলে তার ভাই তাকে লালমোহন সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। আর নির্যাতিত অসহায় আরজু এখন লালমোহন হাসপাতালে চিৎকিসারত অবস্থায় আছে। এ ব্যাপারে আরজুর পরিবার আরজুর ভরণ পোষণ এবং নির্যাতনের বিচার দাবি করছেন উপজেলা প্রশাসনের কাছে।