৩:৪০ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭, সোমবার | | ৪ মুহররম ১৪৩৯

South Asian College

ঝালকাঠিতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৮:০৬ পিএম | সাদি


 মোঃ রাজু খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ৫ম চীন মৈত্রী সেতুর পশ্চিম ঢাল থেকে পুরাতন ফেরীঘাট (শেখেরহাটগামী সড়ক) এলাকার ৫ হাজার টাকা মূল্য মানের গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।  এ অভিযোগ উঠেছে খোদ ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। 

এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান একেএম জাকির হোসেন বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, আমার চাচা’র জমিতে রোপিত গাছ ছোট একটি রেইন্ট্রি গাছ তিনি দেড় হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।  ওই গাছের জমিও সরকারী রেকর্ডের মধ্যে পড়েনি।  রাস্তার পাশের সরকারী গাছ একেকটা বড় বড়।  সেখানের প্রতিটি গাছের মূল্য ২০ হাজার টাকারও বেশি।  তিনি আরো বলেন, সিডরের সময় কত বড় বড় গাছ পড়েছিলো।  কেউ বলতে পারবে না, আমি তার একটা পাতাও ধরেছি।  আমার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রি মহল সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছে।  

স্থানীয়রা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে লোক দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান গাবখান ব্রীজের ঢাল থেকে পুরাতন ফেরিঘাট সড়ক সংলগ্ন একটি রেইন্ট্রি গাছ কাটায়।  এই রেইন্ট্রি গাছটির আনুমানিক মূল্য পাঁচ হাজার হবে বলে গাছের পাইকাররা জানিয়েছে।  সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।  তারা এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠ বিচার দাবি করেছে।  এব্যাপারে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বন কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম বলেন, ওটা সড়ক বিভাগের গাছ।  অবৈধ ভাবে এই গাছ কাটা হয়েছে। 

সরকারি কোন গাছ কাটতে হলে ওই বিভাগ থেকে অনুমোদন আনতে হয়।  এর পরে বনবিভাগের কাছে আবেদন করতে হয়।  বন বিভাগের রিপোর্ট প্রদান ও মূল্য নির্ধারণ করার পরেই সরকারি গাছ কাটা বৈধ হবে, তারে আগে নয়।  ঝালকাঠি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নাবিল হোসেন জানান, ওই স্থানের রাস্তার পাশের গাছ গুলো সড়ক বিভাগেরই।  গাছ কাটার বিষয়টি আমাকে কেউ জানায় নি।  কোন ব্যক্তি কোনভাবেই এ গাছ কেটে নিতে পারবে না।  খোজ নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।