১১:২৭ এএম, ২২ নভেম্বর ২০১৭, বুধবার | | ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

যেন বাংলাদেশের সম্মান রাখতে পারি লালমনিরহাটের মার্শাল আর্ট-কন্যা

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১০:৫২ এএম | রাহুল


আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কৃষক পরিবারের মার্শাল আর্ট-কন্যা সান্ত্বনা রানী রায়।  এ বছর আমন্ত্রণ পেয়েছেন ২০ তম তায়কোয়ান্দো বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার।  সে উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের হরিদাস গ্রামের কৃষক সুবাস চন্দ্র রায় ও মা যমুনা রানীর মেয়ে। 

আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে ২০ তম তায়কোয়ান্দো বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ।  দরিদ্র কৃষক পরিবার মেয়ে সান্ত্বনা রানী রায় তিন বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে সবার বড়।  রাজশাহী সরকারী কলেজ থেকে মাষ্টাস পার্স, এলএলবি শেষ করছেন তিনি । 

এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন লালমনিরহাট জেলার প্রথম নারী খেলোয়র সান্ত্বনা রানী রায়।  আগামী বুধবার সান্ত্বনা ঢাকা থেকে পিয়ংইয়ংয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন।  সান্ত্বনা রানী রায় বলেন, ২০ তম তায়কোয়ান্দো বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতায় সুযোগ পেয়ে অর্থে অভাবে হতাশা হয়ে পরি।  পরে সবার সহযোগিতায় তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ ফি ও পোশাক-পরিচ্ছদের জন্য ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা সংগ্রাহ হয়েছে। 

এখন আমার অংশগ্রহণের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।  আমি পিয়ং ইয়ং এ বাংলাদেশের একজন তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগী হিসাবে খেলতে যাচ্ছি যেন বাংলাদেশের সম্মান রাখতে পারি। সকলের প্রতি রইলো আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ।  আমার জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ করবেন।  তুষভান্ডার মহিলা কলেজের প্রভাষক আব্দুল লতিব বলেন, সবার সহযোগিতায় সে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে ২০ তম তায়কোয়ান্দো বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ অংশ নিতে বুধবার ঢাকা ত্যাগ করবেন। 

লালমনিরহাট সাপ্টিবাড়ী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সুদান চন্দ্র রায় বলেন, সান্ত্বনা রানী তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগীয় বিজয় ছিনিয়ে এনে জেলা বাসীর মুখ উজ্জল করবেন এটাই আশা করছি।  প্রসঙ্গত: ২০১৪ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে সপ্তম এশিয়ান তায়কোয়ান্দো চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম হন।  ২০১৫ সালে ঢাকায় সপ্তম জাতীয় আইটিএফ তায়কোয়ান্দো চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি সেরা খেলোয়াড় হন।