১১:৫৪ এএম, ২১ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার | | ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




ঠাকুরগাঁওয়ে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

২৮ অক্টোবর ২০১৭, ০৮:৫৩ পিএম | নিশি


বিধান দাশ, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : বাংলাদেশ স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের হাওলাদার কমিউনিটি সেন্টারে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন। 

সম্মেলনে স্বাচিপ এর ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আহ্বায়ক মিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় স্বাচিপের সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আসলান, মহাসচিব অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ, ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুহম্মদ সাদেক কূরাইশী, কার্যকরী সদস্য ডাঃ মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন, ডাঃ মোহাম্মদ হোসেন, ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম, ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ও বিএমএ সভাপতি ডাঃ আবু মোঃ খায়রুল কবির প্রমূখ। 

বক্তারা এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে বিভিন্ন প্রদক্ষেপ গ্রহন করায় আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানান। 

সম্মেলন শেষে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিব) ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি পদে ডা: মো. রিয়াজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক পদে ডা: মো. সাজ্জাদ হায়দার শাহীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ডা: মো. মিরাজুল ইসলাম সহ ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। 

উল্লেখ্য, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি যে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল তা সুসংহত করতে ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণসহ চিকিৎসকদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের চিকিৎসকরা ‘স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ’ গঠন করেছে। 

স্বাধীনতা উত্তর বঙ্গবন্ধু সরকার জনগণের মৌলিক অধিকার চিকিৎসাকে সুনিশ্চিত ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে চিকিৎসকদেরকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীতকরণ, ইন সার্ভিস ট্রেইনি প্রথা প্রবর্তন, খানা স্বাস্থ্য প্রকল্প গঠন এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য প্রকল্প গঠনের মাধ্যমে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।  কিন্তু ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নৃংশস হত্যাকাণ্ডের পর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নের গতিধারা ব্যহত হয় ও চিকিৎসা পেশার মান ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। 



keya