২:৫৮ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার | | ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০


জঙ্গি পৃষ্ঠপোষকতায় লেকহেড স্কুল বন্ধের নির্দেশ

০৭ নভেম্বর ২০১৭, ০৪:৩৬ এএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম : ধর্মীয় উগ্রবাদে অনুপ্রেরণ দেয়া, জঙ্গি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা, স্বাধীনতা বিরোধী কার্যক্রম পরিচালনাসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগে ঢাকার ধানমন্ডি ও গুলশানে অবস্থিত লেকহেড গ্রামার স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। 

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে প্রতিষ্ঠানটির সব কার্যক্রম বন্ধ করতে ঢাকা জেলা প্রশাসককে অনুরোধ জানানো হয়। 

আদেশে বলা হয়, ঢাকা মহানগরীর ধানমন্ডি ও গুলশানে অবস্থিত লেকহেড গ্রামার স্কুলটি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না থাকায় এবং ধর্মীয় উগ্রবাদে অনুপ্রেরণা, উগ্রবাদী সংগঠন সৃষ্টি, জঙ্গি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতাসহ জাতীয় ও স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠানটির সব কার্যক্রম বন্ধের ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হলো। 

প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে ধানমন্ডির ৬/এ সড়কে প্রতিষ্ঠিত হওয়া লেকহেড গ্রামার স্কুলের বিরুদ্ধে জঙ্গি তৎপরতায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই।  স্কুলের বনানী ও গুলশানে আরো দু’টি শাখা রয়েছে।  প্রতিষ্ঠাকালীন এই স্কুলের অধ্যক্ষ ছিলেন জেনিফার আহমেদ, যিনি বাংলাদেশে হিযবুত তাহরীর সংগঠিত করার অন্যতম প্রধান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গোলাম মাওলার স্ত্রী।  জেনিফার নিজেও হিযবুতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 


২০০৯ সালে হিযবুত তাহরীর নিষিদ্ধ হওয়ার পর এই স্কুল প্রথম আলোচনায় আসে।  ওই বছরই এই স্কুল পরিচালনার পূর্ণ দায়িত্ব নেন হারুন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের কর্ণধার হারুন অর রশিদ ও তার ছেলে মোস্টওয়ান্টেড জঙ্গি হিসেবে পরিচিত রেজওয়ান হারুন। 

হারুন বেশিরভাগ সময় লন্ডনে থাকলেও চলতি বছরের ১১ মে সকালে যুক্তরাজ্য থেকে আসা এমিরাটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশে ঢুকে আত্মগোপন করেন। 

সূত্রমতে, রেজওয়ানের লেকহেড গ্রামার স্কুলে আলোচিত যুক্তরাষ্ট্রগামী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ উড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া রাজীব করিম, তার ভাই তেহজিম করিম ও তেহজিবের স্ত্রী সিরাত করিম এবং তাদের সহযোগী মাইনুদ্দিন শরীফ শিক্ষক ছিলেন। 

২০১০ সালে ইয়মেনে আল-কায়েদাবিরোধী অভিযোনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তেহজিব করিম।  এছাড়া পরিবারসহ সিরিয়ায় চলে যাওয়া মাইনুদ্দিনের ভাই রেজওয়ান শরীফও লেকহেডের শিক্ষক ছিলেন। 


keya