২:১৮ পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | | ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

‘৭ মার্চের ভাষণ ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল দিক-নির্দেশনা’

২৫ নভেম্বর ২০১৭, ১১:৩৭ এএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) -এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর ‘‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল”-এ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ‘‘বিশ্বপ্রামান্য ঐতিহ্যের” ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি লাভের অসামান্য অর্জন উপলক্ষে এক আনন্দ শোভাযাত্রা ২৫ নভেম্বর (শনিবার), ২০১৭ খ্রি. চুয়েট ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।  চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম মহোদয় সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিতব্য উক্ত শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। 

শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চুয়েট শহীদ মিনারে গিয়ে সমাপ্ত হয়।  রঙ-বেরঙের ব্যানার-ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে উক্ত শোভাযাত্রায় চুয়েট পরিবারের বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।  এদিন সকাল থেকে সারাদিন বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রচার করা হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রনজিৎ কুমার সূত্রধর, পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, তড়িৎ ও কম্পিউটার অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কৌশিক দেব, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী প্রমুখ। 

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে শহীদ মিনারের পাদদেশে অনুষ্ঠিত সমাবেশে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ।  শোষিত বাঙালি জাতির জন্য এই ভাষণ মুক্তির দলিল ছিল।  এই ভাষণের প্রত্যেকটা বাণীই একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক মুক্তির জন্য ছিল পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনা।  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক কুটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে ৭ই মার্চের ভাষণের এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছে।  সমগ্র বাঙালি জাতির জন্য আজ সেটা আনন্দের খবর।  দেশকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের সবাইকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করতে হবে। 

Abu-Dhabi


21-February

keya