২:০৪ পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | | ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

মাটিরাঙ্গায় পাঁচ গ্রামের জনদুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা নির্মান

০৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ০১:১১ পিএম | মুন্না


সাগর চক্রবর্তী কমল, মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি : মাটিরাঙ্গার পাঁচ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ ধলিয়া খালের সেতু নির্মানের প্রতিশ্রুতির পরেও প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: আবুল হাসেম ভুইয়া‘র নেতৃত্বে নিজেদের দুর্ভোগ লাঘবে নিজেদের উদ্যোগেই স্বেচ্ছাশ্রমে ধলিয়া খালের ওপর রাস্তা ও সেতু নির্মাণে নেমে পড়েছেন মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বিচ্ছিন্ন জনপদ মোহাম্মদপুর-বড়ঝলাসহ পাঁচ গ্রামের মানুষ। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ধলিয়া খালের কারণে মাটিরাঙ্গা পৌরসভা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে মোহাম্মদপুর-বরঝলাসহ পাঁচটি গ্রাম।  বর্ষা শেষে ধলিয়া খালটি অনেকটাই শুকিয়ে এসছে।  বর্ষা শেষ হলেও খালের পানি প্রায় কোমরসম। 

মাটিরাঙ্গা পৌরসভার হাসপাতাল এলাকার ধলিয়া খালটি পাঁচ গ্রামের মানুষকে শহর থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে জানিয়ে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: আবুল হাসেম ভুইয়া বলেন, বছরের ১২ মাসই ধলিয়া খালে পানি থাকে।  ফলে ভোগান্তি তাদের পিছু ছাড়েনা।  মানুষের পারাপারসহ উৎপাদিত পন্য হাট-বাজারে নেয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।  তাই একটি সেতুর জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ধর্না দিয়ে ব্যর্থ হয়ে খাল পারাপারে গ্রামবাসীকে সাথে খালের উপর ২০ফুট দৈর্ঘ্য কাঠের সেতু তৈরী সহ স্বেচ্ছাশ্রমে বাধ দিয়ে  রাস্তা নির্মাণ করেন তিনি। 

বড়ঝলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক মো: ফারুক খান বলেন, ধলিয়া খালের উপর সেতু নির্মান না হওয়ায় বছরের বেশীর ভাগ সময় ধরে শিশু শিক্ষার্থীদের ঝুকি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হয়।  স্থানীয় কাউন্সিলরের এমন উদ্যোগে জনদুর্ভোগ সাময়িক লাঘব হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

ধলিয়া খালের ওপর কোন সেতু বা ব্রীজ না থাকায় ওই এলাকার ছয় সহস্্রাধিক লোকজন শুকনো মৌসুমে পানির মধ্য দিয়ে হেঁটে ধলিয়া খাল পার হলেও বর্ষাকালে চরম দূর্ভোগে শিকার হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা মো: জয়নাল আবদীন।