১০:১৮ এএম, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, শুক্রবার | | ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

ফলোআপ

কেঁদে কেঁদে সময় পার করছে যুবলীগ নেতা দিদারুল মোস্তফার স্বজনরা

০৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৯:০৫ পিএম | নিশি


সৈকত আচার্য্য , প্রতিনিধি, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) : চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি দিদারুল মোস্তফা দিদার খুনের ঘটনায় নিহতের পিতা নজির আহমদ বাদী হয়ে ১১ জনকে জ্ঞাত এবং আরো ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা দায়ের করলেও পুলিশ এখনও পর্যন্ত মামলার কোন আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি।  অপরদিকে দিদারুল মোস্তফার পরিবারকে শান্তনা দিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তার বাড়ীতে ভিড় জমালেও পরিবারের স্বজনরা কেঁদে কেঁদেই তাদের সময় পার করছে। 

বিশেষ করে দিদারের মা ইসলাম খাতুন সারাক্ষণই ছেলে হারানোর বেদনায় কাতর হয়ে পড়েছেন।  অপরদিকে দুই শিশু কন্যা মরিয়ম ও ফাতেমাকে নিয়ে অথৈ সাগরে ভাসছে দিদারের স্ত্রী মিনু আক্তার জানান আমার স্বামীকে চিরতরে ছিনিয়ে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা।  এখন আমি আমার অবুঝ দুই শিশু সন্তান নিয়ে কিভাবে দিনযাপন করবো সেই দুঃচিন্তায় আমার চোখের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। 

এদিকে গত রবিবার রাতে নিহত দিদারুল মোস্তফার পিতা নজির আহমদ বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় দায়ের করা মামলায় ১১ জনকে চি‎ি‎হ্নত আসামী করা হয়।  তারা হলেন, ফজল হকের পুত্র আবদুল মালেক জনি, সামশুল আলমের পুত্র আতিকুর রহমান টিপু, জাফর আহমদের পুত্র মন্নান, আলী আহমদের পুত্র সোহেল আহমদ আজাদ, মৃত হাফেজুর রহমানের পুত্র শহিদুল্লাহ, আলাউদ্দিনের পুত্র সাগর, মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র মৌং ইউসুফ, জাফর আহমদ পুত্র এমরান, আজিজুর রহমানের পুত্র আবদুর রহিম ও আবুল কালাম।  আসামীদের মধ্যে শহিদুল্লাহর বাড়ী সরলের পাইরাং এবং অপরাপর আসামীরা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।  মামলা এবং ঘটনার ব্যাপারে নজির আহমদ বলেন, আমার পুত্রকে হারিয়ে শোকাহত হয়ে পড়েছি।  সে মৃত্যুর আগে যাদের নাম বলেছে তাদেরকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছি। 

এবার প্রশাসন যদি তাদের শাস্তি দেয় তাহলে আমার ছেলের আত্মা শান্তি পাবে। 

মামলা এবং আসামী গ্রেফতারের ব্যাপারে জানতে চাইলে বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, ঘটনার পর থেকে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।  আশা রাখি দুয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের খোঁজে বের করতে পারবো।