৫:১৬ এএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭, সোমবার | | ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

যশোর প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা:সাতচল্লিশ বছর পর পালিত হবে ১১ই ডিসেম্বর

০৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৮:২৭ পিএম | সাদি


হাবিবুর রহমান, যশোর প্রতিনিধি:  যশোরের স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর গৌরবের মুকুটে’র আরেকটি স্বর্ণ পালক ১১ ডিসেম্বর জাতীর সামনে তুলে ধরার জন্য নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে যশোরবাসী সমন্বয় কমিটি। 

১৯৭১ সালের এদিনে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোরের টাউন হল ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো মুজিব নগর সরকারের প্রথম জনসমাবেশ।  সেদিনের সেই জনসমাবেশে বক্তৃতা দিয়েছিলেন মুজিব নগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।  যেখান থেকে শুরু হয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রশাসনিক কর্মকান্ড।  কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বিভিন্ন কারণে অতীতে এ দিবসটিকে স্মরণ করা হয়নি।  আলোচনায়ও তেমনভাবে ছিল না বিষয়টি। 

এবারই প্রথম যশোরবাসী সমন্বয় কমিটি দিবসটি উপলক্ষে বিকেল ৩ টা ৪৫ মিনিটে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে ১৭০ ফুট লম্বা পতাকাসহ র‌্যালি, সন্ধায় টাউন হল ময়দানে ৫ হাজার মোমবাতি দিয়ে বাংলাদেশের ম্যাপ তৈরি করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে একই স্থানে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে থাকবে যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা এবং ৪ টা ৩০ মিনিটে স্বাধীনতা উন্মুক্ত মঞ্চে চলবে ১১ই ডিসেম্বর নিয়ে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান।  সাথে সাথে চলবে সাংস্কৃতিক সন্ধাও। 

এর আগে বিকেল ৩ টায় জেলা প্রশাসকের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে আলোকচিত্রী প্রদর্শনী। 

এ ব্যাপারে যশোর সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ফারুক জাহাঙ্গীর আলী টিপু বলেন, সমস্ত যশোরবাসী যখন যশোরকে বিভাগ, ন্যুনতম ‘সিটি কর্পোরেশনের’ দাবিতে সোচ্চার, তখন নিজেদের ইতিহাসকে সমুন্নত করতে আবারো আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে চাই।  যে ১১ ডিসেম্বর মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দানে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেখান থেকেই আমরা পুনরায় দাবি তুলতে চাই যশোরকে ‘বিভাগ’ কিম্বা ‘সিটি কর্পোরেশন’ করার।  আর তারই ধারাবাহিকতায় আমরা ওই দিন যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে ১৭০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে শহর প্রদক্ষিন করে টাউন হল মাঠে প্রবেশ করবো।  এর পর ৫ হাজার মোমবাতি দিয়ে বাংলাদেশের ম্যাপ তৈরি করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবো।  এ ছাড়া স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে থাকবে যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা। 

সবশেষে ১১ই ডিসেম্বর নিয়ে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান।  সাথে সাথে চলবে সাংস্কৃতিক সন্ধাও। 

এ ব্যাপারে সংগঠনের সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম মৃধা বলেন, আমরা যশোরবাসী তথা সমগ্র জাতীকে ১১ই ডিসেম্বর সম্পর্কে জানাতে চাই আর তার জন্য সমগ্র অনুষ্ঠানটি যশোর সিটি ক্যাবলে সরাসরি সম্প্রচার করার ব্যবস্থা করেছি।