২:৩৯ এএম, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, শুক্রবার | | ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

কাশিয়ার খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলের কৃষকরা

০৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৪:৪৬ পিএম | নিশি


রেজাউল ইসলাম, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতাঃ  গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তার চরাঞ্চলে কৃষকরা এখন কাঁশ খড় বিক্রি করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে।  অপরদিকে ভুমি দস্যুরা প্রকৃত জমি মালিকদের খড়ের ক্ষেত জবর দখল করে খড় বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  যার কারনে জমি জিরাত খুঁয়ে যাওয়া পরিবারগুলো তাদের জমির খড় বিক্রি করতে পারছে না। 

উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী এখন ধু-ধু বালুচরে পরিনত হয়েছে।  তিস্তার বুক জুড়ে চাষাবাদ হচ্ছে নানাবিধ ফসল।  পাশাপাশি বিভিন্ন চরে চাষাবাদ ছাড়াই কাঁশবনে ভরে উঠেছে।  বিশেষ করে চন্ডিপুর, হরিপুর , শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ী, ভাটিবোচাগাড়ী, চরচরিতাবাড়ী, চর হরিপুর, চর বিরহীম, কেরানির চর, ফকিড়ের চর, কালাইসোতার চর, রিয়াজ মিয়ার চর, উজান বড়াইল, ভাটি বুড়াইল চরে ব্যাপক হারে কাঁশবন দেখা দিয়েছে।  ওই সব চরের কৃষকরা এখন খড় বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছে।  অনেক কৃষক খড় বিক্রি করে এখন স্বাবলম্বী। 

অপরদিকে এক শ্রেনির ভুমি দস্যু খড়ের ক্ষেত দখল করে নিচ্ছে।   কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি বুড়াইল চরের আনছার আলী জানান, চরের মধ্যে গজিয়ে উঠা কাঁশবনের খড় বিক্রি করে এখন সংসার চালাচ্ছি।  ভুমি দস্যুদের কারনে নিজের জমির খড় বিক্রি করতে পারছি না। 

পাঁচপীর খেয়াঘাটের পাইকারি  খড় বিক্রেতা ফয়জার রহমান জানান, একশত খড়ের আটি বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে চার হাজার হতে সাড়ে চার হাজার টাকা।  চরের কৃষকরা খড় নিয়ে এসে আমাদের নিকট বিক্রি করছে।  পানের বরজ মালিকরা আমাদের নিকট থেকে ক্রয় করে নিয়ে যায়। 

এব্যাপারে কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান, চরের মধ্যে জমি-জমার সীমানা নির্ধারন করা খুবই দূরহ ব্যাপার।  তাই একজনের জমির খড়  আরেকজন কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে।