১২:২৬ এএম, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, রোববার | | ৭ রবিউস সানি ১৪৪০




নান্দিকার নাট্য মঞ্জরীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চ.বি. উপাচার্য নাটক জীবন্ত ও চলমান শিল্পমাধ্যম

০৯ ডিসেম্বর ২০১৭, ০১:৪২ পিএম | নিশি


এসএনএন২৪.কমঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, নাটক  জীবন্ত ও চলমান শিল্প মাধ্যম।  বাংলাদেশে থিয়েটার চর্চার ইতিহাস আলোকপাত করে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও অভিজ্ঞতার আলোকে আবহমান বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য থিয়েটারের আয়নায়  সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।  তিনি ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখ সন্ধ্যায় নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে চট্টগ্রামে নান্দিকার নাট্য মঞ্জরীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। 

মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন, থিয়েটারের মূল লক্ষ্য হলো প্রতিকূলতা ডিঙ্গিয়ে সত্যকে জয় করা।  সমাজের নানা অসংগতি তুলে ধরে নাট্য শিল্প সমাজকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকে।  তাই নাট্যকলার মাধ্যমে ব্যক্তি-সমাজ আলোকিত হয় এবং মঙ্গল, কল্যাণ, প্রগতি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।  মাননীয় উপাচার্য নাট্যকলার সাথে সম্পৃক্ত নাট্যকার, নির্দেশক এবং নাট্যশিল্পীদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে এদেশের নাট্যশিল্পকে এগিয়ে নিতে নিয়মিত নাট্য মঞ্চায়নের আহবান জানান এবং নান্দিকার প্রতিষ্ঠার ৪৪ বছর পদার্পনকে চট্টগ্রামে থিয়েটার চর্চার ইতিহাসে অনন্য অর্জন হিসেবে অভিহিত করে নান্দিকার পরিবারকে শুভেচ্ছা জানান। 

নান্দিকার সভাপতি জনাব অলক ঘোষের সভাপতিত্বে এবং সুশান্ত মিত্র ও সামসাদ বেগম লিসার উপস্থাপনায় দুইদিনব্যাপি নান্দিকার নাট্য মঞ্জরীর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রামের মহাব্যবস্থাপক জনাব মনোজ সেনগুপ্ত এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংবাদিক ও সত্যজিৎ গবেষক আনোয়ার হোসেন পিন্টু।  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বলেন, দেশ স্বাধীন হবার পর থেকেই নাট্যকর্মীরা প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করে আসছেন।  তারা এখন জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে নাট্যভাষা নির্মাণ করে সা্স্কংৃতিক ফ্রন্টে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। 

আলোচনা সভার শুরুতে আবৃত্তি করেন নান্দিকার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রণজিৎ রক্ষিত এবং নৃত্য পরিবেশন করে স্কুল অব ওরিয়েন্টাল ডান্স।  শেষে মঞ্চে নান্দিকার পরিবেশন করে মুক্তিযুদ্ধের নাটক ‘কোর্টমার্শাল’।  নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন অলক ঘোষ।  অভিনয়ে ছিল অলক ঘোষ, আবদুল হাদি, মৃত্তিকা ঘোষ, মো. সাইফুদ্দিন, পারভেজ আহমেদ, সৌমিত্র দাশ, কাজী আতিকুর ইসলাম, শিবু দত্ত, বাবলু কুমার দে, ডা. মুহাম্মদ বদিউল আলম এবং শান্তনু দাশ। 



keya