৮:৫০ এএম, ২৪ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৮ শা'বান ১৪৩৯

South Asian College

জাহাজ ভাঙ্গায় আইনী বিধান ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত হোক

২৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১০:৫৫ এএম | রাহুল


রানা দাশ জয়, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :  জাহাজ ভাঙ্গায়  আইনী বিধান  ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত হোক, শ্রমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক, এই দাবীতে রবিবার মোমবাতি  প্রজ্বলন কর্মসূচী  ও মতবিনিময় সভা করেন সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা)। 

সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ইপসা সহ চট্টগ্রামে কর্মরত  বেসরকারি  সংগঠনসমূহের  যৌথ  উদ্যোগে  চট্টগ্রাম  প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে  মতবিনিময়  সভা মোমবাতি  প্রজ্বলন  কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।    উক্ত কর্মসূচীতে বিভিন্ন এনজিও, গনমাধ্যম, জাহাজ ভাঙ্গা  শ্রমিক, ট্রেড ইউনিয়ন  সংগঠনে প্রতিনিধিবৃন্দ ও সেচ্ছাসেবী  সংস্থার  প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত  উপস্থিতি  ছিলো। 

উক্ত কার্যকর্মে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন  বিশিষ্ট  শিক্ষাবিদ  ড: সেকান্দর  হোসেন খান,  বিশেষ  অতিথি  হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন বিশিষ্ট  ট্রেড উন্নয়ন নেতা জনাব বাবু তপন দও ও প্রমুখ।   সভায় 'নিরাপদ ও পরিবেশ  সমস্ত জাহাজ  ভাঙ্গা শিল্প  কতদূর'?  শীর্ষক  ধারণা পএ পাঠ করেন ইপসার প্রকল্প প্রধান ও এনজিও শিপব্রেকিং প্লাটফর্মের  বাংলাদেশ সমন্বয়ক মোহাম্মদ আলী শাহীদ। 

প্রধান অথিতি ডাঃ সেকান্দর হোসেন খান বলেন, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প শ্রমিকদের নিরাপত্তা আইনি অধিকার নিশ্চিতকল্পে মাল্টিস্টেকহোল্ডার পর্যায় কার্যকর যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিষাক্ত বর্জ্যবাহী জাহাজ আমদানী বন্ধ করতে হবে।  ঘন ঘন দুর্গঘটনায় শ্রমিক নিহতের ঘটনা  তদন্ত করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্তা গ্রহণ করতে হবে। 

এছাড়া অন্য বক্তারা বলেন, জাহাজ ভাঙ্গা শ্রমিকদের জন্য আইনী সুরক্ষা, পরিবেশগত বিধি ব্যবস্তা, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত শ্রমমান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পকে একটি নিয়ম নীতির আওতায় আনতে হবে। 

বক্তারা আরো বলেন, জাহাজ ভাঙ্গায় জাতীয় শ্রম আইন ও আন্তর্জাতিক মান প্রতিষ্ঠা করা হোক।  জাহাজ ভাঙ্গা শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায অধিকার পপ্রতিষ্ঠা করা হোক, শ্রমিক-মালিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা হোক। 

সভা শেষে শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে শিপ ইয়ার্ডে নিরাপত্তা জোরদার করা দাবী ও নিহতদের  শ্রমিকদের স্বরণে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচী করেন। 

Abu-Dhabi


21-February

keya