৮:৪১ এএম, ২৭ এপ্রিল ২০১৮, শুক্রবার | | ১১ শা'বান ১৪৩৯

South Asian College

চেয়ারম্যান হত্যা চেষ্টাকারী সন্ত্রাসীদের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

১১ জানুয়ারী ২০১৮, ১১:৩৫ এএম | মুন্না


নাজমুল হাসান, দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন কে গুলি করে হত্যা চেষ্টাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সহ অঙ্গসহযোগী সংগঠন। 

বুধবার বিকাল ৪ টায় ঈদগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ চত্বরে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল হান্নানের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,  উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আনারুল হক। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষ, ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ, সাবেক সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আকবার আলী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি সদস্য নির্মল কুমার মন্ডল, সখিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুর রব লিটু। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রাম প্রসাদ ঘোষ, সদস্য মাহবুবুল হক, দুলাল চন্দ্র ঘোষ, সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কাসেম, শ্রমিকলীগের সভাপতি আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম  প্রমূখ। 

এসময় বক্তরা এসময় বক্তরা বলেন ২০১৩ সালে যারা রাস্তায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তার পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের কবর বানিয়ে রাজপথ অবরুদ্ধ করেছিল তারাই সেদিন আমাদের আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু রায়হান, শ্রমিক লীগ নেতা আলমগীর হোসেন বাকুম, আব্দুল আজিজকে হত্যা করেছে।  তারা আওয়ামীলীগের অগনিত নেতা-কর্মীদের বাড়ি-ঘর, দোকান-পাঠ লুটপাঠ ও অগ্নী সংযোগ করে। 

সে সময় প্রকাশ্য দিবালোকে এই সখিপুরের কলেজ মাঠে বিএনপি জামায়াতের সান্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে শেখ ফারুক হোসেন রতনকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়।  নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা আবারও দেবহাটাকে অশান্ত করার পায়তারা চালিয়ে হত্যাযগ্যে মেতে উঠেছে। 

তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই এটা ২০১৩ সাল নয়, ২০১৮ সাল।  সময়ের অনেক ব্যবধান, আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের ধর্য্যরে বাঁধ ছাড়িয়ে গেছে।  তাই আপনাদের প্রতিটি সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের শাস্তি পেতেই হবে।  রতনকে যারা গুলি করে হত্যা করার চেষ্টা করেছে তারা কোন মতে রেহাই পাবে না।  রতনের রক্তের প্রতিটি ফোটার হিসাব সহ যদি আর কোন আওমীলীগের নেতাকর্মী শরীর থেকে এক ফোটা রক্তও ঝরে তাহলে তার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। 

এছাড়া সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানায়।