৮:৫১ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার | | ৮ মুহররম ১৪৪০


রাস্তা দখল নিয়ে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুর করেছে সন্ত্রাসীরা

১১ জানুয়ারী ২০১৮, ১১:৪৭ এএম | নিশি


রানা দাশ জয়, চট্টগ্রাম : চট্রগ্রামের কোতোয়ালী থানার কাজীর দেউরীতে কাজী বাড়ির  ভবনের সামনে ইটের দেওয়াল দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার চেষ্টা এবং এজমালী চলাচলের রাস্তা  জবর দখল করার উদ্দেশ্যে দুই দুই বার অর্তকিত হামলা চালিয়ে  লোহার রড ও অস্ত্র দিয়ে বাড়িতে লুটপাট ও  ভাংচুর করে।  ওই সময় হামলাকারীরা পিটিয়ে চারজনকে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রায় নগত টাকা ও স্বর্ণ অলংকার সহ ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ভূক্তভুগীদের দাবী। 

ঘটনার পর  কোতোয়ালী থানায় বাড়ির মালিক মীর কাজী আমজাদ হোসেন বাদি হয়ে  ৫ জনকে বিবাদী  করে মামলা করেন ।  বিবাদিরা হলেন

সায়হান আলম জন, কাজী মঈনুল হোসেন সায়হাম, কাজী নাজমুল হোসেন মিশু, কাজী রিদোয়ান হোসেন রাব্বি, মোঃ কাদের। 

মীর কাজী আমজাদ হোসেন কোতোয়ালী থানাকে দেয়া এজাহারে জানান, বিবাদীরা দীর্ঘ দিন যাবথ তার সম্পত্তি ও তথায় স্থিত এজমালি চলাচালের রাস্তা জবর দখলের চেষ্টা করে আসছে। 

গত ৯ জানুয়ারী সকাল আনুমানিক ৯-১০টার দিকে বিবাদীরা  সহ আরো অজ্ঞাত ১০/১১ জন লোক নিয়ে লোহার রড ও অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে ভবনের সামনে ইটের দেওয়াল দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার চেষ্টা করে।  বাধা দেয়ার  চেষ্টা করাতে লোহার রড দিয়ে আক্রমন করে, এই সময় বেশ কয়েকজন আহত হয় এবং বাড়ির গৃহকর্মী মোঃ বায়েজিদের বাম হাতের তালুতে মারাত্মক  রক্তাক্ত জখম হয়।  

এই সময় হামলাকারীরা বাড়ি থেকে নগদ অর্থ, মোবাইল এবং স্বর্ণ নিয়ে পলায়ন করে।  এই সময় আর্তচীৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন আসতে থাকলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে হামলাকারীরা পলায়ন করে। 

একইদিন আনুমানিক  বিকাল ৫-৬ টার দিকে আবারো  অস্ত্রসহ  ৩০/৪০ জন লোক নিয়ে বিবাদীরা আমজাদ হোসেনের ভাই আবুল হোসেন রুমির  বাড়ির  দরজা, জানালা  এবং বাড়ির ভিতরে ভাংচুর করে, এই সময় পরিবারের পুরুষ সদস্য, মহিলাদের এবং আওয়াজ শুনে এগীয়ে আসা প্রতিবেশি, বাড়ির কাজের মিস্ত্রিকে  ভয়ভীতি মারদর করে ও  মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে।  আশে পাশে লোকজন জমায়েত হতে থাকলে এবারো হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত চলে  যায়। 

হামলার  ঘটনায় ৪ জন আহত হন বলে জানা যায় , আহতরা হলেন  আমজাদ হোসেনের পুত্র মোঃ কাজী রাফী, ঘটনা দেখতে আসা নাজমা বেগম,  গৃহকর্মী মোঃ বায়েজিদ, বাড়ির মিস্ত্রী মোঃ ইউসুফ।  মীর কাজী আমজাদ হোসেন   এই হামলায় পরিবারটির আনুমানিক ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান।