৯:২৩ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার | | ৪ সফর ১৪৪০


বাইশারীতে পল্লী বিদ্যুতের বকেয়া বিল বিড়ম্বনায় গ্রাহক

১৩ জানুয়ারী ২০১৮, ০৪:২৮ পিএম | জাহিদ


মুফিজুর রহমান, নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি : কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বকেয়া বিল বিড়ম্বনার শিকার হয়ে হয়রানীর শিকার হচ্ছে গ্রাহকরা।  একই বিল দ্বিতীয় বার দিতে বাধ্য হচ্ছে।  এমনই ঘটনা ঘটেছে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে। 

জানা গেছে, কক্সবাজার বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রাহকদের প্রতি মাসের বিল পরিশোধ করার বিধান রয়েছে।  ওই নিয়মেই চলে আসছিল।  বর্তমানে বকেয়া বিলের এ নিয়ম চালু করার ফলে গ্রাহকরা হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।  একই বিল একাধিকবার দিতে বাধ্য হচ্ছেন। 

বাইশারী বাজারের গ্রাহক মিজানুর রহমানের অভিযোগ, আগষ্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল এক সাথেই পরিশোধ করা হয়।  উক্ত বিল গুলো পরিশোধ করেন কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুত সমিতির বকেয়া বিল উত্তোলনকারী হেলাল উদ্দিন।  তিনি একটি রশিদও দেন এবং উক্ত রশিদে তার স্বাক্ষরও রয়েছে।  কিন্তু ডিসেম্বর মাসে এসে পূনরায় উক্ত দুই মাসের বিল সহ জরিমানা করে ২ হাজার ৩ শত ৬২ টাকা।  ডিসেম্বরে এসে সেটি যোগ হয়ে বর্তমান বিল হয় ৩ হাজার ১ শত ৯৯ টাকা।  বকেয়া বিল পরিশোধ করার পরও এ ধরনের বিড়ম্বনার স্বীকার হওয়া সত্যি কষ্টকর।  তবে এ বিষয়ে অফিসের কারো সাথে এখনো যোগাযোগ করিনি। 

বাইশারী হোটেলের মালিক আবু তাহের সওদাগর জানান, তিনি গত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের টাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঈদগাঁও ব্যাঞ্চে নগদ পরিশোধ করলেও ডিসেম্বর মাসে এসে পূনরায় উক্ত দুই মাসের বিল বকেয়া ও হিসেবে প্রায় ৫ হাজার টাকার অধিক অতিরিক্ত বিল সংযোজন করে দেয়। 

বাইশারী বাজারের একাধিক গ্রাহক জানান, ২০১৮ সালের প্রথম মাসে এসে বকেয়া বিলের কারণে গ্রাহকরা হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।  অনেক সময় মিটার না দেখেই বিল করার ফলে গ্রাহকদের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।  এতে গ্রাহকরা হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।  বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবগত করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। 

এ বিষয়ে স্থানীয় ভাবে বিল উত্তোলনকারী এরশাদ জানান, অতিরিক্ত বকেয়া বিল উত্তোলনের ব্যাপারে অফিসে যোগাযোগ করার জন্য গ্রাহকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

এ ব্যাপারে জানতে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঈদগাঁও ব্রাঞ্চে জানতে চাইলে বলেন, বকেয়া বিলের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মতে করা হয়েছে।  তবে পরিশোধ করে থাকলে অফিসে এসে ঠিক করা যাবে। 


keya