৩:৩১ এএম, ২২ আগস্ট ২০১৮, বুধবার | | ১০ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


‘মহানবীর (দ.) শুভাগমন ঘটেছে বলেই সমগ্র সৃষ্টি জগৎ অস্তিত্ব লাভ করেছে’

১৭ জানুয়ারী ২০১৮, ০৮:২৭ পিএম | নিশি


এসএনএন২৪.কম : চট্টগ্রাম বায়েজিদ বোস্তামী ড্রীমল্যান্ড সুন্নী সংঘ ও এলাকাবাসীর ব্যবস্থাপনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও ফাতেহা ইয়াজদাহুম উদ্যাপন উপলক্ষে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) সেমিনার ১৬ জানুয়ারি বাদে আসর হতে ড্রীমল্যান্ড আবাসিকের মাঠে কুলগাঁও আল আমিন হাশেমী দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন পীরে তরিকত কাজী মুহাম্মদ ছাদেকুর রহমান হাশেমী (মজিআ)’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। 

এতে প্রধান অতিথি বক্তা ছিলেন, রাঙ্গামাটি বনরূপা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাওলানা মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন আলকাদেরী। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি (তদন্ত) মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন, হিজরি নববর্ষ উদ্যাপন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব মুহাম্মদ এনামুল হক ছিদ্দিকী, সমাজসেবক মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। 

বক্তারা বলেন, প্রিয় নবীর (দ.) দুনিয়ায় শুভাগমন ঘটেছে বলেই মানবজাতিসহ সমগ্র সৃষ্টি জগৎ অস্তিত্ব লাভ করেছে।  তাই নিয়ামত প্রাপ্তিতে কৃতজ্ঞতা ও শুকরিয়া স্বরূপ ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদ্যাপন নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব। 

তিনি বলেন, আজকে সারা বিশ্বে যুদ্ধ সংঘাত লেগে আছে।  শান্তিকামী মানুষ আজ বড়ই দুদিন পার করছে।  বিশ্বজুড়ে মানবতার এই নির্মম আহাজারি থামাতে মহানবীর (দ.) শান্তির দর্শনকে অনুসরণ করতে হবে।  নবীপ্রেম ঈমানের অনিবার্য দাবি।  নবীপ্রেমের শক্তিতে উজ্জ্বীবিত হয়ে মুসলমানদেরকে আজকের নিপীড়িত অবস্থা থেকে পরিত্রাণ খুঁজতে হবে।  পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদ্যাপনের মাধ্যমে আল­াহ পাকের নৈকট্য ও প্রিয় নবীর (দ.) সন্তুষ্টি ও সুপারিশের ভাগিদার হবার তাগিদ দেন বক্তারা। 

মুহাম্মদ আব্দুল­াহ আল নিশান আলকাদেরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা নিজাম উদ্দিন আলকাদেরী, মাওলানা মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ রাসেল হোসেন আলকাদেরী, মাওলানা রবিউল হোসেন আলকাদেরী, মুহাম্মদ হাশেম, মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মুহাম্মদ আইয়ুব, মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ, মাওলানা ওসমান আলী রেজভী, মাওলানা শহীদুল­াহ, মুহাম্মদ ইব্রাহিম, মুহাম্মদ মিল­াত হোসেন, মুহাম্মদ তারেক, মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম রাজু, মুহাম্মদ সাঈদ প্রমুখ। 

মিলাদ-কিয়াম শেষে দেশ ও বিশ্ববাসীর শান্তি-কল্যাণ কামনায় মুনাজাত পরিচালনা করেন পীরে তরিকত আল­ামা কাজী মুহাম্মদ ছাদেকুর রহমান হাশেমী (মজিআ)।