৯:২৩ এএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শনিবার | | ১১ মুহররম ১৪৪০


অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা করেছে কুয়েত সরকার

২৪ জানুয়ারী ২০১৮, ০৮:০৯ পিএম | সাদি


সাদেক রিপন, কুয়েত প্রতিনিধি : কুয়েতে অবৈধভাবে বসবাসরত বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের  জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে কুয়েত সরকার।  বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এমনই খবর দেশটির স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।  খবরটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বুধবার ২৪ জানুয়ারি সকালে বিষয়টি বিস্তারিত সত্যতা জানতে কুয়েতে বাংলাদেশি বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম ও বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর শ্রম আবদুল লতিফ খাঁন এই সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

যারা বিভিন্ন কারণে অবৈধ হয়ে কুয়েতে আছেন তাদের সাধারণ ক্ষমার সুযোগটি গ্রহন করার অনুরোধ জানিয়েছেন কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর শ্রম আবদুল লতিফ খাঁন।  দূতাবাসের পক্ষ থেকে সর্বাত্বক সহযোগিতা করার হবে বলেও জানিয়েছেন। 
আগামী ২৯ জানুয়ানি হতে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় সীমা বেধে দেওয়া হয়েছে।  এ

ই অবৈধ বাসিন্দাদের তাদের আইনি অবস্থা সমাধান করার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত সুযোগ, বিশেষ করে যারা চলে যেতে চান যারা জরিমানা পরিশোধ করতে হবে না।  এছাড়াও, তারা ভবিষ্যতে ফিরে আসার সুযোগ পাবে, যদি ধরা পড়ে যায় এবং বহিষ্কৃত হয় তবে কালো তালিকাভুক্ত হবে ভবিষ্যতে কুয়েতে প্রবেশ করতে পারবে না।  ।  জরিমানা পরিশোধ ছাড়াই কুয়েত ত্যাগের সাধারণ ক্ষমার এই সুযোগটি সর্বশেষ ২০১১ সালে দেয়া হয়েছিল, সেই সুযোগ আবার দেয়া হয়েছে। 

এতে পরিশোধ ছাড়াই কুয়েত ত্যাগ অথবা দৈনিক দুই দিনার করে সর্বোচ্চ ৬০০ দিনার দিয়ে বৈধভাবে কুয়েতে থাকা যাবে।  তবে সাধারণ ক্ষমা এই নিদ্রিষ্ট সময়ের আগে যদি কোন অভিবাসী স্থানীয় প্রশাসনের হাতে আটক হয় তারা এই সাধারণ ক্ষমার আওতায় পড়বে না।  আর যাদের নামে স্থানীয় আইন ভঙ্গকারী বড় ধরনে মামলা রয়েছে তারা মামলা মীমাংসা করে  বা মামলা মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত দেশ ছেড়ে যেতে পারবে না। 

তথ্যমতে সাধারণ ক্ষমায় বিভিন্ন দেশের ১৩০,০০০ অবৈধ অভিবাসীর বৈধ হওয়া ও দেশ ত্যাগের সুযোগ পাবেন।  কতজন বাংলাদেশি তার কোন তথ্য না থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে অনুমানিক ২০/২৫ হাজারের মত প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন কারণে অবৈধ হয়ে আছেন। 

সাধারণ ক্ষমার বিষয় অবৈধ অভিবাসীদের প্রথমে যেটা করতে হবে সেটা হল স্থানীয় যয়াযাত অফিস (রেসিডেন্সি বিষয়ক বিভাগ) সাথে  যোগাযোগের পর যার যার দেশের দূতাবাসে নিদ্রিষ্ট কাগজ পত্র গুলো জমা দিয়ে দেশে যেতে পাবেন।