১:১৬ পিএম, ২২ আগস্ট ২০১৮, বুধবার | | ১০ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


ভোলায় জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা

১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৬:৩৬ পিএম | জাহিদ


গোপাল চন্দ্র দে, ভোলা প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রতিনিয়ত দক্ষিনঞ্চালরে সমদ্রের উচ্চতা বাড়ছে।  এর ফলে মিঠা পানির এলাকা গুলো লবনাক্ত হয়ে পড়ছে, কৃষক তার কৃষি জমী হারাচ্ছে।  নদী ভাঙ্গনের সাথে সাথে দ্বীপ জেলা ভোলার আয়োতন ছোট হয়ে আসছে।   নারীও শিশুরা চরম স্বাস্থ্য ও জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে।  সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উদ্বাস্ত মানুষের সংখ্যা।  এর জন্য চাই সময় উপযোগী পদক্ষেপ।  এর মাধ্যমেই  জলবায়ু পরিবর্তন এর সাথে সাথে উপকূলীয় জেলা ভোলার মানুষ মানিয়ে নিতে পারবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।  জলবায়ু পরিবর্তনের এমন নানা বিষয়ের কথা বলেছেন “জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিযোজন” বিষয়ক কর্মশালায়। 

সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন ও সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেন্জ এন্ড এনভায়ার মেন্টাল রিসার্চ এর আয়োজনে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)এর সহযোগিতায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।  কর্মশালায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে ভোলার জেলা প্রশাসক মো: সেলিম উদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে এ কর্মশালার উদ্ধোধন করেন। 

এসময় বক্তারা বলেন, ভোলা একটি ঘুর্ণিঝড় ও নদীভাঙন প্রবণ দ্বীপাঞ্চল।  ঝড় ঝঞ্চার সাথে সংগ্রাম করে বেড়ে ওঠে এখানকার লড়াকু মানুষ।  জীবন সংগ্রামের কারণেই তারা পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে।  জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ শিশু ও নারীরা ।  এক্ষেত্রে অর্থিক সংকটের কারণে জীবনযাত্রায় বিরুপ প্রভাব পরায় সামাজিক নিরাপত্তাও বিঘ্ন হয়। 

এসময় ভোলাকে শুধুমাত্র সমস্যায় জর্জরিত নয় বরং এ দ্বীপ জেলাটিতে অপার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।  এসময় জেলা প্রশাসক জলবায়ু পরিবর্তন বিরুপ প্রভাব মোকাবিলায় একাডেমিক জ্ঞানের সাথে স্থানীয় মানুষের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে স্বমন্নিত পথনকশা তৈরি করার প্রতি গুরাত্বারোপ করেন।  জলবায়ু অভিযোজনে শিশু ও যুবদের  ক্ষমতায়িত করতে হবে।  তাদেরকে কল্পনার সুযোগ দিতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।