৯:০৬ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার | | ১৪ মুহররম ১৪৪০


আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা প্রত্যাশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর রোহিঙ্গাদের ফেরা নিশ্চিতে

০৯ মার্চ ২০১৮, ০৮:৪২ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : রোহিঙ্গারা যেন নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরতে পারে সেজন্য মিয়ানমারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রভাবিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী। 

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সফররত জাতিসংঘ মহাসচিবের গণহত্যা প্রতিরোধবিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা আদামা দিয়েঙ্গ-এর সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান। 

এছাড়া, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।  একইসঙ্গে তিনি সংঘাতের মূল কারণগুলো মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেন।   আলাপকালে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সংঘটিত গণহত্যার কথাও স্মরণ করেন মন্ত্রী।  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

দাফতরিক সফরে বর্তমানে বাংলাদেশে রয়েছেন জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা।  তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরগুলো পরিদর্শন করবেন।  মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলবেন তিনি। 

আলোচনাকালে রোহিঙ্গাদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপদেষ্টাকে অবহিত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।  তিনি জানান, মিয়ানমারের রাখাইনে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ভয়াবহতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছে।  নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে তারা নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ এটি অব্যাহত রাখবে। 

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে স্বাক্ষরিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি নিয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।  এ সময় তিনি রাখাইনে যথোপযুক্ত পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেন। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় এবং তাদের মানবিক সহায়তা দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন আদামা দিয়েঙ্গ। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সহমত পোষণ করে আদামা দিয়েঙ্গ বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণগুলোর প্রতি নজর দিতে হবে।  এ ব্যাপারে অবশ্যই জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।  এক্ষেত্রে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে। 

এর আগে ২০১৭ সালের ১৯ অক্টোবর দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন থামানোর জন্য অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। 


keya