১১:৩৪ এএম, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার | | ১০ রবিউস সানি ১৪৪০




মিরসরাইয়ে জমির ন্যায্যমূল্য পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

১১ মার্চ ২০১৮, ০৬:২৩ পিএম | সাদি


রাজু কুমার দে, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিগ্রহণ না করে ও ক্ষতিপূরণ না দিয়ে কৃষকদের জমি ভরাট ও গৃহ নির্মাণে প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে জমির মালিকরা।  রবিবার (১১ মার্চ) সকালে মিরসরাই উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের পশ্চিম ইছাখালী এলাকায় ফসলি জমিতে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যুব জাগরনী আর্দশ কৃষি পশুপালন মৎস্য বহুমুখী সমবায় সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল খায়ের।  এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, জমির মালিক নিজাম উদ্দিন, তাজুল ইসলাম, আব্দুর রউফ, জয়নাল আবেদীন, মুক্তিযোদ্ধা হোসনের জামান, মানিক মেম্বার, আমিন শরিফ, শাহানা আক্তার, আলেয়া বেগম, আলা উদ্দিন, সালেহ বেগম, রাহেনা আক্তার, সেলিম মেম্বার, আবু নছর, শিরিনা আক্তার।  তারা বক্তব্যে ১০টি দাবি উপস্থাপন করা হয়।  মানববন্ধনে ৬শতাধিক জমির মালিক অংশগ্রহণ করে। 

জমির মালিক তাজুল ইসলাম জানান, সরকার মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য পশ্চিম ইছাখালীসহ এর আশে পাশে এলাকায় তিন ও এক ফসলি ৭-৮ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ না করে ও ক্ষতিপূরণ না দিয়ে গৃহ নিমার্ণের চেষ্ঠা করেছে একটি প্রভাবশালী মহল।  নিরীহ কৃষকদের জমি অধিগ্রহণ করে ও  জমির মালিকদের ৩ গুণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া শর্তে জমি ভরাটের দাবি জানান তিনি।  এছাড়া জাল দলিল করে অনেক প্রভাবশালী জমির ক্ষতিপূরণ নিয়ে যাচ্ছে।  যাতে প্রভাবশালীরা গরীবের টাকা আত্মসাৎ করতে না পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানান তাজুল । 

যুব জাগরনী আদর্শ কৃষি পশু পালন মৎস্য চাষি বহুমুখী সমবায় সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল খায়ের মিয়া জানান, ৩৫ বছর আগে যুব জাগরণী আদর্শ কৃষি পশু পালন মৎস্য চাষি বহুমুখী সমবায় সমিতি ৯৯ বছরের জন্য ৪৫০ একর খাস জমি বন্দোবস্তি নেয়।  সরকার ওই ৪৫০ একর জমি অধিগ্রহণ না করে অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য কাজ শুরু করে।  এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কয়েক শত পরিবার।  যদি ক্ষতিগ্রস্থদের তিনগুণ ক্ষতিপূরণ দেয়া হয় গরীব মানুষগুলো মাথা গোজার ঠাঁই পাবে।  অন্যথায় আমাদের মরণ ছাড়া আর কোন পথ নেই। 

অর্থনৈতিক অঞ্চল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. মফিজুর রহমান জানান, কিছু ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিভিন্ন দাবি নিয়ে মানববন্ধন করেছে।  মানববন্ধনের নিরাপত্তায় পুলিশের একটি টিম নিয়োজিত ছিল।  তবে দাবির বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনকে কোন লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়নি।