১১:৩৩ এএম, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার | | ১০ রবিউস সানি ১৪৪০




কাঠমান্ডুর বিমান দুর্ঘটনায় বিশ্বনেতাদের শোক

১৩ মার্চ ২০১৮, ০৫:৩২ পিএম | সাদি


এসএসএন২৪.কম : নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ৪৯ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা।  

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক বার্তায় লিখেছেন, কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষগুলোর প্রতি আমার গভীর শোক জ্ঞাপন করবেন।  আক্রান্তদের পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা ও সহায়তা জানানোর অনুরোধ করছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। 

এক টুইট বার্তায় গভীর শোক প্রকাশ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনায় গভীর যন্ত্রণা অনুভব করছি।  এই ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক জানাচ্ছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। 

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি তার টুইটে লিখেছেন, উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় খুবই দু:খিত।  নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।  এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ ও নেপালের মানুষের জন্য আমাদের প্রার্থনা। 

ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধিও শোক জানিয়েছেন। 

সোমবার এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনায় হতাহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানায় মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।  নেপাল কিংবা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোন ধরনের সহায়তা চাওয়া হয়নি জানিয়ে মুখপাত্র বলেন, সহায়তা চাওয়া হলে বিষয়টি বিবেচনা করবে যুক্তরাষ্ট্র। 

এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছে সার্ক সচিবালয়ও।   উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় তারা বাংলাদেশ ও নেপালের মানুষ ও সরকারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। 

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজটি ছেড়ে যায়।  নেপালে পৌঁছানোর পর স্থানীয় সময় ২টা ২০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৩টা ৫ মিনিট) এটি বিধ্বস্ত হয়।  নিহত ৪৯ জনের মধ্যে ২৫ জনই বাংলাদেশী। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ৭৮ জন ধারণ সক্ষম বিমানটিতে ক্রু ছিলেন চার জন।  তারা সবাই বাংলাদেশী।  যাত্রীদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশী, ৩৩ জন নেপালি এবং মালদ্বীপ ও চীনের একজন করে নাগরিক ছিলেন।