১০:০০ এএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শনিবার | | ১১ মুহররম ১৪৪০


ময়মনসিংহের ছাত্রলীগের সভাপতি শাওন স্বরনে শোকসভা অনুষ্ঠিত

১৪ মার্চ ২০১৮, ১১:১৯ পিএম | মোহাম্মদ হেলাল


মিজানুর রহমান, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহে সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আশফাক আলরাফী শাওন স্বরনে শোকসভা করেছে জেলা আ’লীগ নেতৃবৃন্দরা। 

বুধবার (১৪ মার্চ) বিকেলে নগরীর টাউন হল তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে জেলা আওয়ামীলীগে উদ্যোগে এই শোকসভা পালন করা হয়। 

সভায় জেলা আ’লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. কবির উদ্দিন ভূঞার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক এড. মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, জেলা আ’লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি আমিনুল হক শামীম, জেলা আ’লীগ নেতা আবু সাঈদ দীন মোঃ ফখরুল, পৌর মেয়র ইকরামুল হক টিটুর, জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এইচ এম ফারুক, শাহ শওকত উসমান লিটন, মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক শাহীনুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি এড. নুরুজ্জামান খোকন,

জেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম মিন্টু, সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বাবুল, মহানগর কৃষকলীগ সভাপতি এবি সিদ্দিক, সাধারন সম্পাদক রায়হান, জেলা মহিলা শ্রমিকলীগের সভাপতি রুকিয়া আফসারী শিখা, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রকিবুল ইসলাম রকিব, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাম্পাদক নওশের আহমেদ অনি প্রমুখ। 

এসময় শাওন হত্যাকান্ডের সাথে জরিতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা। 

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) দুপুরে ঢাকার ধানমন্ডিতে ইবনে সিনা হাসপাতালে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি গুলিবিদ্ধ আশফাক আলরাফী শাওন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।  তিনি দীর্ঘ ১২ দিন জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করে না ফেরার দেশে চলে যান। 

এদিকে শাওনের মরদেহ ওইদিন বিকেলে ময়মনসিংহ নগরী আকুয়ার নিজ বাড়িতে আনা হয়।  পরদিন তার গ্রামের বাড়ি ফুলবাড়ীয়া উপজেলা লক্ষীপুর এলাকায় পারিবারি কবরস্থানে শাওনকে সমাহিত করা হয়। 

উল্লেখ্য, ২৫ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে ময়মনসিংহ নগরীর জেলা পরিষদের সামনের এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আশফাক আলরাফী শাওন রহস্যজনকভাবে গুলিবিদ্ধ হয়।  পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  এসময় তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা শাওনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। 

শাওন আকুয়া চৌরঙ্গীর মোড় এলাকার বাসিন্দা এবং সাবেক জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ কদ্দুসের ছেলে। 

কোতুয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, সেদিন রাত ২টার দিওক নগরীর জেলা পরিষদের সামনে কয়েকজন বন্ধু মিলে দাঁড়িয়ে ছিলেন শাওন।  এ সময় তিনি রহস্যজনকভাবে গুলিবিদ্ধ হয়।  তখন স্থানীয়রা খোঁজ পেয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন।  পরে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে মমেক হাসপাতালের আইসিইউতে রেফার্ড করে।  তবে কীভাবে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।  এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে বলেও জানান ওসি।