৪:৩৫ পিএম, ২১ আগস্ট ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


ধুলোবালির সঙ্গে যুদ্ধ করেই জীবন যাপন করছে সিরাজদিখানের মানু

১০ এপ্রিল ২০১৮, ০৫:০০ পিএম | জাহিদ


আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি : ধুলোবালির সঙ্গে যুদ্ধ করেই জীবনযাপন করছে  সিরাজদিখানে মানুষ।  সড়ক সংষ্কারে খোড়াখুড়ির কাজ চলমান থাকায় প্রকৃতির বসন্তের হাওয়ায় উড়ছে ধুলোবালিও।  বিভিন্ন সড়কে চলাচলরত হাজার হাজার মানুষ বর্তমানে শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের ক্যান্সার, হাঁপানি ও যক্ষাসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। 

ঋতু পরিবতনের সঙ্গে বসন্তের বাতাসে উড়ে আসা ধুলা-বালিতে ঘর থেকে সড়কে নামলেই ধুলোবালির কবলে পড়ছেন মানুষ জন।  আর এ থেকে রক্ষা পেতে খুম কম সংখ্যক মানুষই মাস্ক ব্যবহার করলেও বেশীর ভাগ মানুষই অসচেতনার কারনে ধুলোবালির সঙ্গে যুদ্ধ করেই জীবনযাপন করে যাচ্ছেন।  ফলে শ্বাসকষ্ঠসহ চুলকানি, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও যক্ষাসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন।  চিকিৎসকদের মতে, শ্বাসনালী দিয়ে এসব ধুলোবালি প্রবেশের কারনে ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো জটিল রোগও হতে পারে মানুষের। 

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার বালুচর, লতব্দী, বাসাইল কেয়াইন, চিত্রকোট, রশুনয়া, বয়রাগাদী ও শেখরনগর ইউনিয়নে ধূলার অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।  এমনকি সড়কে দায়িত্বরত পালনকারী ট্রাফিক পুলিশ।  পাশাপাশি বসতবাড়ী, স্কুল-কলেজ, মাদ্রসা-মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, চায়ের দোকান, মুদি দোকান, খাবার হোটেল, সরকারী বেসরকারী ক্লিনিক ব্যাংক বীমাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চিত্রও ধুলোবালিতে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। 

বিক্রমপুর কে বি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সামছুল হক হাওলাদার বলেন, ‘নাক চেপেও রেহাই পাওয়া যায় না, সব সময় মাক্স ব্যবহার করতে হয়। ’

সিরাজদিখান বাজারের  দোকানদার আব্দুল্লাহ আল মাহামুদ বলেন, রাস্তায় গাড়ি এসে থামার সঙ্গে-সঙ্গে পিছন দিক থেকে ধূলা এসে ভরে যায়।  মিনিটের মধ্যে দোকানসহ আমি সাদা হয়ে যাই।  এসব নিয়ন্ত্রণ করা বা দেখার যেন কেউ নেই।  যত দুর্ভোগ সব জনগণের। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দুলাল হোসেন জানান,‘ধুলা বালুর সাথে মিলে যে শুধু শ্বাসনালীর বা ফুসফসের আক্রান্ত হতে পারে তা নয়।  শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গ প্রভাব ফেলতে পারে।  বর্তমানে আমাদের হাসপাতালে ধুলাবাহিত বায়ু দুষনের  রোগবালাই বৃদ্ধি পাচ্ছে আশংকা জনক ভাবে। ’