১১:৪৩ এএম, ১৯ আগস্ট ২০১৮, রোববার | | ৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


তেঁতুলিয়া লালগছ সীমান্তে নোম্যান্স ল্যান্ডে দুই বাংলার মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

১৫ এপ্রিল ২০১৮, ০৮:১০ পিএম | সাদি


এম.মোবারক হোসাইন,পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার লালগছ সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ড পরিণত হয়েছে দুই বাংলার মানুষের ব্যতিক্রমী মিলনমেলায়।  রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলার লালগছ সীমান্তের ৭৩৭ মেইন পিলার এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত।  রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পঞ্চগড় উপজেলার অমরখানা সীমান্তের ৭৩৭ মেইন পিলার সংলগ্ন প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে প্রতিবছরের মতো এবারের পহেলা বৈশাখেও মিলন ঘটেছে ভারত-বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষের।  এ মেলা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। 

নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণ-তরুণী ও বৃদ্ধদের উপচে পড়া ঢল নেমেছে এখানে।  সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর (বিএসএফ) কঠোর পাহারা এবং কাঁটাতারের বেড়ার বাধা উপেক্ষা করে দুই দেশের মানুষের ক্ষণিকের এই মিলন এলাকার আকাশ বাতাসকে আবেগাপ্লুত করে তুলেছে। 

হাজারো লোকের ভিরে আপনজনদের খুঁজে বের করতে হিমসিম  খেতে দেখা যাচ্ছে অনেককেই।  আপনজনদের কাছে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছা থাকলেও প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করে কাঁটাতারের বেড়া।  তাই শুধুই স্বল্প সময়ের জন্য একে অপরকে একনজর দেখা, কুশল বিনিময় আর চোখের পানি ফেলে আপনজনদের কাছ থেকে বিদায় নিতে হয় এদের।  এখানে আসা বেশিরভাগই নিম্ন আয়ের মানুষ।  এদের ভিসা-পাসপোর্ট করে আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ নেই।  তাই বছর জুড়ে এই পহেলা বৈশাখের অপেক্ষায় থাকেন তারা। 

এদিকে, এতো মানুষের ভির সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিজিবি-বিএসএফ সদস্যদের।  সকাল সাড়ে ১০টায় বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়ার কাছে আসার অনুমতি দিলে বাঁধভাঙ্গা জোয়ারের মতো উভয় দেশের হাজার হাজার মানুষ নোম্যান্স ল্যান্ডে আসে।  বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল হাজার হাজার বাংলাদেশি।  বিজিবি-বিএসএফ যৌথভাবে দুই বাংলার আত্মীয়-স্বজনদের এভাবে দেখা-সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেছে।